ঢাকা ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে নববধূ ইতি হত্যা মামলার প্রধান আসামী স্বামী আটক

  • আপডেট: ০১:৩২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক:

শাহরাস্তিতে নববধূ মেহজাবিন সুলতানা ইতি হত্যা মামলায় স্বামী একরামুল হক রাজুকে (২৮) আটক করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার মেহের দক্ষিণ ইউনিয়নের মালরা গ্রামে আটকের এ ঘটনা ঘটে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহ আলমের সার্বিক দিকনির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোঃ রাসেল রানা সঙ্গীয় ফোর্সসহ মালরা গ্রাম থেকে একরামুল হক রাজুকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে আটককৃতকে চাঁদপুর সিআইডি’র উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আবদুল মান্নান সঙ্গীয় ফোর্সসহ চাঁদপুরে নিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, গত ২০১৮ সালের ১৪ এপ্রিল শাহরাস্তি পৌর শহরের ঘুঘুশাল গ্রামের আমির হোসেনের কন্যা মেহজাবিন সুলতানা ইতির বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী মেহের দক্ষিণ ইউনিয়নের মালরা গ্রামের আবদুল কুদ্দুছের মেঝ ছেলে একরামুল হক রাজুর (২৭) সাথে। বিয়ের ২ মাস ১৮ দিনের মাথায় ২৩ জুন ২০১৮ সন্ধ্যায় করফুলেন্নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহজাবিন সুলতানা ইতির স্বামীর বাড়িতে রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। মৃত্যুর ৯দিন পর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও তৎসময়ের পুলিশ সুপারের নির্দেশে নিহতের ভাই নূরে আলম স্বামী একরামুল হক রাজু সহ ৪জনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনার পর হতে আসামীরা দীর্ঘদিন পলাতক থাকে। মামলাটি বর্তমানে সিআইডিতে তদন্তাধীন রয়েছে। সম্প্রতি মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামী গোপনে বাড়িতে অবস্থান করে। সিআইডি আসামী গ্রেফতার করতে থানাকে অবহিত করলে থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাত ৮টায় নিজগ্রাম মালরা থেকে ইতির স্বামী রাজুকে আটক করে। নিহতের পরিবার এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানান।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

শাহরাস্তিতে নববধূ ইতি হত্যা মামলার প্রধান আসামী স্বামী আটক

আপডেট: ০১:৩২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক:

শাহরাস্তিতে নববধূ মেহজাবিন সুলতানা ইতি হত্যা মামলায় স্বামী একরামুল হক রাজুকে (২৮) আটক করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার মেহের দক্ষিণ ইউনিয়নের মালরা গ্রামে আটকের এ ঘটনা ঘটে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহ আলমের সার্বিক দিকনির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোঃ রাসেল রানা সঙ্গীয় ফোর্সসহ মালরা গ্রাম থেকে একরামুল হক রাজুকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে আটককৃতকে চাঁদপুর সিআইডি’র উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আবদুল মান্নান সঙ্গীয় ফোর্সসহ চাঁদপুরে নিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, গত ২০১৮ সালের ১৪ এপ্রিল শাহরাস্তি পৌর শহরের ঘুঘুশাল গ্রামের আমির হোসেনের কন্যা মেহজাবিন সুলতানা ইতির বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী মেহের দক্ষিণ ইউনিয়নের মালরা গ্রামের আবদুল কুদ্দুছের মেঝ ছেলে একরামুল হক রাজুর (২৭) সাথে। বিয়ের ২ মাস ১৮ দিনের মাথায় ২৩ জুন ২০১৮ সন্ধ্যায় করফুলেন্নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহজাবিন সুলতানা ইতির স্বামীর বাড়িতে রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। মৃত্যুর ৯দিন পর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও তৎসময়ের পুলিশ সুপারের নির্দেশে নিহতের ভাই নূরে আলম স্বামী একরামুল হক রাজু সহ ৪জনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনার পর হতে আসামীরা দীর্ঘদিন পলাতক থাকে। মামলাটি বর্তমানে সিআইডিতে তদন্তাধীন রয়েছে। সম্প্রতি মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামী গোপনে বাড়িতে অবস্থান করে। সিআইডি আসামী গ্রেফতার করতে থানাকে অবহিত করলে থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাত ৮টায় নিজগ্রাম মালরা থেকে ইতির স্বামী রাজুকে আটক করে। নিহতের পরিবার এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানান।