চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মাসুদ ইকবালকে হেফাজত সমর্থিত “আখিরাত” নামক ফেইসবুবক আইডি থেকে গলা কেটে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে হাজীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ। ১৮ এপ্রিল রবিবার দুপুরে রোটারী ক্লাব অব হাজীগঞ্জ অডিটরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মহিউদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে  ও  সাধারণ সম্পাদক মো. এনায়েত মজুমদারের পরিচালনায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মাসুদ ইকবাল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আপনার অবগত আছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যখন বিশ^ মানচিত্রে উন্নয়নের শিখরে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে যখন স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপিত হচ্ছে, যখন দেশে বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানগণ অবস্থান করছে ঠিক তখনি স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি জামায়াত শিবির বিএনপির মদদপুষ্ঠ হেফাজতে ইসলাম দেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষে দেশব্যাপী ধ্বংসাত্মক ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম শুরু করে। ঠিক সেই একই কায়দায় হেফাজত ইসলাম ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালিয়েছে। যাহা দেশে বিরোধী ষড়যন্ত্রের শামিল। একই সাথে বিশ^ দরবারে বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত করতে বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার চালায় যাহা এখনো চলমান।

তারই প্রতিবাদে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সুযোগ্য চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মাইনুল ইসলাম খাঁন নিখিলের নির্দেশে দেশব্যাপী যুবলীগের প্রতিবাদ মিছিল ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী প্রচারের অংশ হিসেবে হাজীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ তার সকল ইউনিট সহ প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল করে এবং বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে হেফাজত ইসলামের জঙ্গি স্টাইটল দেশ বিরোধী কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করে আসছে যা চলমান।

এরই অংশ হিসেবে আমি মো. মাসুদ ইকবাল, আহবায়ক হাজীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ, যুবলীগের সকল কর্মকান্ডে নেতৃত্ব দিয়ে আসছি। তারই ফলশ্রুতিতে হেফাজত কর্মী পরিচয়ে আখিরাত নামক ফেসবুক আইডির ম্যাসেঞ্জার থেকে এবং অজ্ঞাত ফোন নম্বর থেকে আমাকে গলা কেটে হত্যার হুমকি প্রদান করে আসছে। যার বিরুদ্ধে আমি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। আমি এবং আমার সকল ইউনিটের নেতৃবৃন্দসহ হেফাজতে ইসলামের এহেন সকল কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পূর্ব শাখার সভাপতি ওমর ফারুক খান ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে বক্তব্য রাখে। এ ঘটনায় তিনি এ ঘটনায় বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন।

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক ঝন্টু দাস।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সদস্য মো. মাসুদ হোসেন, নজরুল ইসলাম, মো. জসিম উদ্দিন, মো. নাজমুল আহসান নয়ন, মো. বাদল হোসেন, ২নং বাকিলা ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক মো. ইব্রাহিম খান রনি, ৩নং কালচোঁ উত্তর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য এম.আইকে মজুমদার তুষার, ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক শ্যামল শীল, ৫নং হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পূর্ব শাখা যুবলীগের সভাপতি ফারুক খান, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ প্রধানিয়া সুমন, সদর পশ্চিম শাখা যুবলীগের সভাপতি মো. মনির খান, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলম মুন্সী, ৭নং বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি লোটাস দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবু নাছের সুমন, সহ-সভাপতি ইলিয়াস মোল্লা, ৯নং গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মুনছুর আহম্মেদ বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান, ১১নং হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আমিনুল হক বাবলু, যুগ্ম-আহবায়ক মো. কামাল হোসেন বেপারি, যুবলীগ নেতা রাশেদ।

Sharing is caring!