ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৭৮জন জিপিএ ৫ নিয়ে সেরা হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজ

  • আপডেট: ০৫:১২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯

মহিনউদ্দিন আল আজাদ:
হাজীগঞ্জে ২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৭৬.৯৮ শতাংশ। ফলাফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৮ জন। উপজেলার ৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর ২৫৮৬ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ১৯৭৭ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮ জন, এ ৫৪৫ জন, ৫২৭ জন, বি ৪৬৫ জন, সি ৪০২ জন, ডি গ্রেড পেয়েছে ১০ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৬০৯ জন।
সর্বোচ্চ ২৪ জন জিপিএ-৫ পেয়ে উপজেলায় প্রথম স্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজ। এ কলেজ থেকে ৮৪১ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ৭১৭ জন। পাসের হার ৮৫.২৬ শতাংশ। এর মধ্যে এ ২৯৬ জন, এ মাইনাস ২২৭ জন, বি ১১৯ জন, সি ৫০ জন, ডি গ্রেড পেয়েছে ১ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১২৪ জন। এছাড়াও বিএম থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৫৪জন। সর্বমোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭৮জন।
৩ জন জিপিএ-৫ নিয়ে উপজেলা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ। এ কলেজ থেকে ৮২১ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ৫৯১ জন। পাসের হার ৭২.২৫ শতাংশ। এর মধ্যে এ ১০৭ জন, এ মাইনস ১৩৯ জন, বি ১৭০জন, সি ১৬৬ জন, ডি গ্রেড পেয়েছে ৬ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১২৩০ জন।
দেশগাঁও ডিগ্রি কলেজ থেকে ১ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এ কলেজ থেকে ২২০ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ১৮৭জন। পাসের হার ৯৩.৫০ শতাংশ। এর মধ্যে এ ২৪ জন, এ মাইনস ৩২ জন, বি ৫৭ জন, সি গ্রেড পেয়েছে ৭৩ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৩৩ জন।
এ ছাড়াও ফলাফলের দিক থেকে উপজেলা প্রথম স্থানে রয়েছে, কাকৈরতলা ডিগি কলেজ। এ কলেজ থেকে ১১৭ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ১১৬ জন। পাসের হার ৯৯.১৫ শতাংশ। এর মধ্যে এ ৬৪ জন, এ মাইনস ৩৫ জন, বি ৫ জন, সি গ্রেড পেয়েছে ৫ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১ জন।
নাসিরকোট শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ থেকে ১৫১ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ১১৫ জন। পাসের হার ৭৬.১৬ শতাংশ। এর মধ্যে এ ২৯ জন, এ মাইনস ৩৩ জন, বি ২১ জন, সি ৩০ জন ও ডি গ্রেড পেয়েছে ২ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১ জন।
ধড্ডা মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০৮ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ১৩৯ জন। পাসের হার ৬৬.৮৩ শতাংশ। এর মধ্যে এ ১৭ জন, এ মাইনস ৪৮ জন, বি ৫০ জন, সি গ্রেড পেয়েছে ২৪ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৬৯ জন।
হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১২৬ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ৭৫ জন। পাসের হার ৬০ শতাংশ। এর মধ্যে এ ৪ জন, এ মাইনস ১৩ জন, বি ২৯ জন, সি গ্রেড পেয়েছে ২৯ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৫১ জন।
বলাখাল মকবুল আহমেদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ৯৬ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ৩০ জন। পাসের হার ৩১.২৫ শতাংশ। এর মধ্যে বি ১২ জন, সি ১৭ ও ডি গ্রেড পেয়েছে ১ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৬৬ জন।
হাজীগঞ্জ কর্মাস কলেজ থেকে ৮ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ৭ জন। পাসের হার ৮৭.৫০ শতাংশ। এর মধ্যে এ ৪ জন, বি ২ জন, সি গ্রেড পেয়েছে ১ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১ জন।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

গরু-ছাগলে ভরে গেছে হাট, তবে নেই ক্রেতা

৭৮জন জিপিএ ৫ নিয়ে সেরা হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজ

আপডেট: ০৫:১২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯

মহিনউদ্দিন আল আজাদ:
হাজীগঞ্জে ২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৭৬.৯৮ শতাংশ। ফলাফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৮ জন। উপজেলার ৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর ২৫৮৬ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ১৯৭৭ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮ জন, এ ৫৪৫ জন, ৫২৭ জন, বি ৪৬৫ জন, সি ৪০২ জন, ডি গ্রেড পেয়েছে ১০ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৬০৯ জন।
সর্বোচ্চ ২৪ জন জিপিএ-৫ পেয়ে উপজেলায় প্রথম স্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজ। এ কলেজ থেকে ৮৪১ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ৭১৭ জন। পাসের হার ৮৫.২৬ শতাংশ। এর মধ্যে এ ২৯৬ জন, এ মাইনাস ২২৭ জন, বি ১১৯ জন, সি ৫০ জন, ডি গ্রেড পেয়েছে ১ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১২৪ জন। এছাড়াও বিএম থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৫৪জন। সর্বমোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭৮জন।
৩ জন জিপিএ-৫ নিয়ে উপজেলা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ। এ কলেজ থেকে ৮২১ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ৫৯১ জন। পাসের হার ৭২.২৫ শতাংশ। এর মধ্যে এ ১০৭ জন, এ মাইনস ১৩৯ জন, বি ১৭০জন, সি ১৬৬ জন, ডি গ্রেড পেয়েছে ৬ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১২৩০ জন।
দেশগাঁও ডিগ্রি কলেজ থেকে ১ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এ কলেজ থেকে ২২০ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ১৮৭জন। পাসের হার ৯৩.৫০ শতাংশ। এর মধ্যে এ ২৪ জন, এ মাইনস ৩২ জন, বি ৫৭ জন, সি গ্রেড পেয়েছে ৭৩ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৩৩ জন।
এ ছাড়াও ফলাফলের দিক থেকে উপজেলা প্রথম স্থানে রয়েছে, কাকৈরতলা ডিগি কলেজ। এ কলেজ থেকে ১১৭ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ১১৬ জন। পাসের হার ৯৯.১৫ শতাংশ। এর মধ্যে এ ৬৪ জন, এ মাইনস ৩৫ জন, বি ৫ জন, সি গ্রেড পেয়েছে ৫ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১ জন।
নাসিরকোট শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ থেকে ১৫১ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ১১৫ জন। পাসের হার ৭৬.১৬ শতাংশ। এর মধ্যে এ ২৯ জন, এ মাইনস ৩৩ জন, বি ২১ জন, সি ৩০ জন ও ডি গ্রেড পেয়েছে ২ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১ জন।
ধড্ডা মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০৮ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ১৩৯ জন। পাসের হার ৬৬.৮৩ শতাংশ। এর মধ্যে এ ১৭ জন, এ মাইনস ৪৮ জন, বি ৫০ জন, সি গ্রেড পেয়েছে ২৪ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৬৯ জন।
হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১২৬ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ৭৫ জন। পাসের হার ৬০ শতাংশ। এর মধ্যে এ ৪ জন, এ মাইনস ১৩ জন, বি ২৯ জন, সি গ্রেড পেয়েছে ২৯ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৫১ জন।
বলাখাল মকবুল আহমেদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ৯৬ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ৩০ জন। পাসের হার ৩১.২৫ শতাংশ। এর মধ্যে বি ১২ জন, সি ১৭ ও ডি গ্রেড পেয়েছে ১ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৬৬ জন।
হাজীগঞ্জ কর্মাস কলেজ থেকে ৮ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাস করেছে ৭ জন। পাসের হার ৮৭.৫০ শতাংশ। এর মধ্যে এ ৪ জন, বি ২ জন, সি গ্রেড পেয়েছে ১ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১ জন।