৩ ঘন্টা ফায়ার সার্ভিস ও চাঁদপুরের ডুবরি দলেল রুদ্ধশ্বাস অভিযানের পর পুকুরের তলদেশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সুমাইয়ার মরহদেহ।
বছর সাতের সুমাইয়া আক্তার শনিবার সকালে স্থানীয় শিশু-কিশোরদের সাথে শাপলা তুলতে যাই বিলে। শাপলা তুলে ফিরে আসার সময় হাজীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের মৈশাইদ গ্রামে সবাই পুকুরে গোসল করতে নামলেও তলিয়ে যাই সুমাইয়া। পরে বিষয়টি সহপাঠিরা বাড়ীতে জানালে হাজীগঞ্জের ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়। পুকুরটি অনেক গভীর হওয়ায় ফায়ার সার্ভিস হওয়ায় ফায়ার সার্ভিস খবর দেয় চাঁদপুরের ডুবরি দলকে। চাঁদপুর থেকে ডুবরি দল এসে খুঁজে তোলা হয় সুমাইয়ার নিথর মরদেহ। এ সময় মানুষের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠে।
শিশু সুমাইয়ার বাবার বাড়ি সিলেট মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল বারাউড়া নোয়া বাড়ি। সে নানার বাড়ীতে বেড়াতে এসেছিল।
তিন ভাই-বোনের মধ্যে সুমাইয়া মেঝো।