ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে ডোপ টেস্টের খবর শুনেই ফাঁড়ি থেকে পালিয়ে গেলো পুলিশের এসআই

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৯:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 238

এসআই মামুন উর রশিদ

চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এক উপপরিদর্শক (এসআই) ডোপ টেস্টের খবর শুনে ফাঁড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ওই কর্মকর্তার নাম মামুন উর রশিদ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ১৮ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে এসআই মামুন উর রশিদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে ডোপ টেস্টের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ডোপ টেস্টের কথা জানার পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি ফাঁড়ি থেকে চলে যান।

ফাঁড়ির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসআই মামুন উর রশিদ নিয়মিত মাদক সেবন করতেন– এমন তথ্যও পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার ডোপ টেস্টের ফলাফল পাওয়া যায়নি।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাকে খুঁজে বের করে ফাঁড়িতে ফিরিয়ে আনতে পুলিশ সদস্যরা তার বাসায় যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।

নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জানান, গতকাল ও আজ এই দুদিনই তার বাসায় পুলিশ সদস্য পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তাকে বাসায় পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটিও গতকাল থেকে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি বলেন, “দুদিনই তার বাসায় পুলিশ সদস্য পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তাকে বাসায় পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোন নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।”

এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফাঁড়িতে কর্মরত সদস্যদের মধ্যে যাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হবে, তাদের পর্যায়ক্রমে ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

চীনা যন্ত্রাংশ দিয়ে মিসাইল বানাচ্ছে হুথিরা, লক্ষ্য সৌদি ও ইসরাইল

চাঁদপুরে ডোপ টেস্টের খবর শুনেই ফাঁড়ি থেকে পালিয়ে গেলো পুলিশের এসআই

আপডেট : ০৯:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এক উপপরিদর্শক (এসআই) ডোপ টেস্টের খবর শুনে ফাঁড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ওই কর্মকর্তার নাম মামুন উর রশিদ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ১৮ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে এসআই মামুন উর রশিদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে ডোপ টেস্টের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ডোপ টেস্টের কথা জানার পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি ফাঁড়ি থেকে চলে যান।

ফাঁড়ির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসআই মামুন উর রশিদ নিয়মিত মাদক সেবন করতেন– এমন তথ্যও পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার ডোপ টেস্টের ফলাফল পাওয়া যায়নি।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাকে খুঁজে বের করে ফাঁড়িতে ফিরিয়ে আনতে পুলিশ সদস্যরা তার বাসায় যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।

নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জানান, গতকাল ও আজ এই দুদিনই তার বাসায় পুলিশ সদস্য পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তাকে বাসায় পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটিও গতকাল থেকে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি বলেন, “দুদিনই তার বাসায় পুলিশ সদস্য পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তাকে বাসায় পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোন নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।”

এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফাঁড়িতে কর্মরত সদস্যদের মধ্যে যাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হবে, তাদের পর্যায়ক্রমে ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হবে।