ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাইমচরে কিশোর হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ৭

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৯:৪৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • 131

ছবি-ত্রিনদী

চাঁদপুরের হাইমচরে চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত ওমর ফারুককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় ৫ নারী এবং আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত ২ কিশোরসহ মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে হাইমচর থানা পুলিশ। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের যথাযথ পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওমর ফারুক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বুধবার ৩ জুন হাইমচর থানায় দণ্ডবিধির ১৪৩/৩২৩/৩০৭/৩০২/৩৪ ধারায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করা হয় (যার এফআইআর নং-৫, জি আর নং-১৩৭)।

মামলা দায়েরের পর পরই আসামিদের গ্রেফতারে তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। হাইমচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এসআই (নিঃ) প্রিয়লাল ঘোষ ও পুলিশের একটি চৌকস দল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চিরুনি অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় আসামিদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন উপজেলার ২নং উত্তর আলগী দুর্গাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ছোট লক্ষ্মীপুর (মৃধা বাড়ি) গ্রামের বিল্লাল হোসেন মৃধার স্ত্রী আখি আক্তার (২৩), সানাউল্যাহ মৃধার স্ত্রী নাজমা বেগম (৪৫), জব্বর মৃধার স্ত্রী লাকী বেগম (৩০), হাবিব মৃধার স্ত্রী সোনিয়া বেগম (১৯) এবং মৃত রুহুল আমিন মৃধার স্ত্রী তয়মুনন্নেছা (৫৫)।

এ ছাড়া একই অভিযানে আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত ২ কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলো ছোট লক্ষ্মীপুর গ্রামের সানাউল্যাহ মৃধার ছেলে জুম্মান মৃধা (১৫) এবং গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার টেক কাতরা এলাকার মৃত পিন্টুর ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ (১৩)।

হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জানান, নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ অত্যন্ত তৎপরতার সাথে মূল আসামিদের আইনের আওতায় এনেছে। অপরাধের সাথে জড়িত বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের বিষয়ে তদন্ত এবং আইনি প্রক্রিয়া জোরালোভাবে চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার

হাইমচরে কিশোর হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ৭

আপডেট : ০৯:৪৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

চাঁদপুরের হাইমচরে চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত ওমর ফারুককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় ৫ নারী এবং আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত ২ কিশোরসহ মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে হাইমচর থানা পুলিশ। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের যথাযথ পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওমর ফারুক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বুধবার ৩ জুন হাইমচর থানায় দণ্ডবিধির ১৪৩/৩২৩/৩০৭/৩০২/৩৪ ধারায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করা হয় (যার এফআইআর নং-৫, জি আর নং-১৩৭)।

মামলা দায়েরের পর পরই আসামিদের গ্রেফতারে তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। হাইমচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এসআই (নিঃ) প্রিয়লাল ঘোষ ও পুলিশের একটি চৌকস দল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চিরুনি অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় আসামিদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন উপজেলার ২নং উত্তর আলগী দুর্গাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ছোট লক্ষ্মীপুর (মৃধা বাড়ি) গ্রামের বিল্লাল হোসেন মৃধার স্ত্রী আখি আক্তার (২৩), সানাউল্যাহ মৃধার স্ত্রী নাজমা বেগম (৪৫), জব্বর মৃধার স্ত্রী লাকী বেগম (৩০), হাবিব মৃধার স্ত্রী সোনিয়া বেগম (১৯) এবং মৃত রুহুল আমিন মৃধার স্ত্রী তয়মুনন্নেছা (৫৫)।

এ ছাড়া একই অভিযানে আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত ২ কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলো ছোট লক্ষ্মীপুর গ্রামের সানাউল্যাহ মৃধার ছেলে জুম্মান মৃধা (১৫) এবং গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার টেক কাতরা এলাকার মৃত পিন্টুর ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ (১৩)।

হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জানান, নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ অত্যন্ত তৎপরতার সাথে মূল আসামিদের আইনের আওতায় এনেছে। অপরাধের সাথে জড়িত বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের বিষয়ে তদন্ত এবং আইনি প্রক্রিয়া জোরালোভাবে চলমান রয়েছে।