ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মতলব সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট: ০৯:৪৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪
  • ১৯

ছবি-নতুনেরকথা।

মতলব সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আবুল কালাম আজাদ বুধবার (৫ জুন) তাঁর নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ বলেন,” আমাকে নিয়ে একটি জাতীয় ও কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকায় লিখা হয় যা আমার সম্মান ও মর্যাদায় আঘাত হেনেছে এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন হয়েছে। আমি নিজে চেষ্টা করে অত্র কলেজে এসেছি, যাতে এলাকার সন্তান হিসেবে শিক্ষার মানোন্নয়ন ঘটিয়ে এলাকার সেবা দিতে পারি। আমি এখানে কিছু অসম্পূর্ণ মেরামত বা সংস্কার কাজ করি, যার ফলে ক্যাম্পাসটিতে শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ পেয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও এলাকাবাসী উপকৃত হয়। সংস্কার কাজকর্মে প্রতিষ্ঠানের মোট আয়ের ৫ শতাংশের বেশি ব্যয় হয়নি এবং এই ব্যয় পিপিআর ২০০৭ অনুসরণ করেই করা হয়।

বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ” আমি কলেজে আসার আগে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি মাত্র কমিটি কলেজের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। কিন্তু আমি প্রশাসনিক বিকেন্দ্রিকরণ করার লক্ষ্যে সাতটি কমিটি গঠন করি। এতে অধিক শিক্ষক কলেজের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পান। কাজেই এখানে সিন্ডিকেট শব্দটি আপত্তিকর ও অবান্তর। আমি যখন শিক্ষার মানোন্নয়নসহ সংস্কার মূলক ও অসম্পূর্ণ কিছু কাজ শুরু করি তখনই খুব স্বল্প সংখ্যক ব্যক্তি ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে আমার ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করে চলছে, আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ বলেন, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে সরকারীকরণ করা হলেও শিক্ষক- কর্মচারীদের বেতন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ফিস এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আদায় এবং প্রদান করা হতো। গত বছরের শেষের দিকে নতুন একটি প্রজ্ঞাপন আসে যেখানে সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের ফিস আদায় ও শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানের কথা বলা হয়। এই ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত হিসেবে শিক্ষকরা যে সকল বেতন পূর্বে নিয়েছেন সেগুলো সমন্বয় করতে বলা হয়।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ বলেন, বিভিন্ন খাত থেকে যে সকল অর্থ আদায় করা হয় তা রেজিস্টার খাতায় লিপিবদ্ধ থাকে এবং ব্যাংকে জমা হয়। মোবাইল টাওয়ার ও দোকান ভাড়া এবং পুকুর লিজ প্রদানের অর্থ ব্যাংকে জমা হয়। পূর্ব থেকে যে নিয়মে পুকুর লিজ দেওয়া হতো এখনো সেভাবেই দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মোঃ কাউসার রসিদ, সহকারী অধ্যাপক গোলাম হাবিব খান, প্রভাষক মোঃ মোশারফ হোসেন, মোঃ তহিদুল আলম, মোঃ রবিউল ইসলাম মিজী, মতলব প্রেসক্লাবের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন দেওয়ানসহ মতলব দক্ষিণ উপজেলায় কর্মরত স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

গরু-ছাগলে ভরে গেছে হাট, তবে নেই ক্রেতা

মতলব সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: ০৯:৪৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪

মতলব সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আবুল কালাম আজাদ বুধবার (৫ জুন) তাঁর নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ বলেন,” আমাকে নিয়ে একটি জাতীয় ও কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকায় লিখা হয় যা আমার সম্মান ও মর্যাদায় আঘাত হেনেছে এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন হয়েছে। আমি নিজে চেষ্টা করে অত্র কলেজে এসেছি, যাতে এলাকার সন্তান হিসেবে শিক্ষার মানোন্নয়ন ঘটিয়ে এলাকার সেবা দিতে পারি। আমি এখানে কিছু অসম্পূর্ণ মেরামত বা সংস্কার কাজ করি, যার ফলে ক্যাম্পাসটিতে শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ পেয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও এলাকাবাসী উপকৃত হয়। সংস্কার কাজকর্মে প্রতিষ্ঠানের মোট আয়ের ৫ শতাংশের বেশি ব্যয় হয়নি এবং এই ব্যয় পিপিআর ২০০৭ অনুসরণ করেই করা হয়।

বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ” আমি কলেজে আসার আগে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি মাত্র কমিটি কলেজের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। কিন্তু আমি প্রশাসনিক বিকেন্দ্রিকরণ করার লক্ষ্যে সাতটি কমিটি গঠন করি। এতে অধিক শিক্ষক কলেজের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পান। কাজেই এখানে সিন্ডিকেট শব্দটি আপত্তিকর ও অবান্তর। আমি যখন শিক্ষার মানোন্নয়নসহ সংস্কার মূলক ও অসম্পূর্ণ কিছু কাজ শুরু করি তখনই খুব স্বল্প সংখ্যক ব্যক্তি ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে আমার ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করে চলছে, আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ বলেন, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে সরকারীকরণ করা হলেও শিক্ষক- কর্মচারীদের বেতন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ফিস এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আদায় এবং প্রদান করা হতো। গত বছরের শেষের দিকে নতুন একটি প্রজ্ঞাপন আসে যেখানে সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের ফিস আদায় ও শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানের কথা বলা হয়। এই ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত হিসেবে শিক্ষকরা যে সকল বেতন পূর্বে নিয়েছেন সেগুলো সমন্বয় করতে বলা হয়।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ বলেন, বিভিন্ন খাত থেকে যে সকল অর্থ আদায় করা হয় তা রেজিস্টার খাতায় লিপিবদ্ধ থাকে এবং ব্যাংকে জমা হয়। মোবাইল টাওয়ার ও দোকান ভাড়া এবং পুকুর লিজ প্রদানের অর্থ ব্যাংকে জমা হয়। পূর্ব থেকে যে নিয়মে পুকুর লিজ দেওয়া হতো এখনো সেভাবেই দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মোঃ কাউসার রসিদ, সহকারী অধ্যাপক গোলাম হাবিব খান, প্রভাষক মোঃ মোশারফ হোসেন, মোঃ তহিদুল আলম, মোঃ রবিউল ইসলাম মিজী, মতলব প্রেসক্লাবের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন দেওয়ানসহ মতলব দক্ষিণ উপজেলায় কর্মরত স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।