চাঁদপুরে বিভিন্ন আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকায় প্রবেশ করা শাখা সড়কগুলোতে অপরিকল্পিতভাবে স্পিড ব্রেকার স্থাপনের প্রবণতা বাড়ছে। এতে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। বিশেষ করে কোনো ধরনের নিয়মনীতি ও অনুমোদন ছাড়াই সড়কের বিভিন্ন স্থানে এসব স্পিড ব্রেকার নির্মাণ করায় ভোগান্তিতে পড়ছেন চালক ও সাধারণ পথচারীরা।
চাঁদপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন শাখা সড়কে এমন চিত্র দেখা গেছে। শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ঘোষেরহাট কলেজ সড়কের পাটওয়ারী বাড়ির সামনে পরপর দুটি স্পিড ব্রেকার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া কুমারডুগী মাজার সড়কেও রয়েছে স্পিড ব্রেকার। এসব স্থানে অপরিকল্পিতভাবে স্পিড ব্রেকার নির্মাণের কারণে যানবাহন চলাচলে সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে ইউনিয়ন ও পৌরসভার অভ্যন্তরে প্রবেশ করা শাখা সড়কগুলোতে প্রয়োজনীয় স্থানে নিয়ম মেনে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। তবে অপ্রয়োজনীয় ও অপরিকল্পিত স্পিড ব্রেকার অপসারণ করা হলে এসব সড়কে পথচারীসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ রাহাত আমিন পাটওয়ারী জানান, সড়কে স্থাপিত এসব স্পিড ব্রেকার সম্পূর্ণ অবৈধ। বিভিন্ন শাখা সড়ক নির্মাণের সময় স্থানীয়রা অনেক ক্ষেত্রে একপ্রকার জোর করেই এসব স্পিড ব্রেকার স্থাপন করেন। আবার কোথাও কোথাও নিজেদের উদ্যোগে সড়ক মেরামত করার পর স্থানীয়রাই স্পিড ব্রেকার নির্মাণ করে দেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও নির্ধারিত নিয়মনীতি অনুসরণ না করে যত্রতত্র স্পিড ব্রেকার স্থাপন বন্ধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে অপরিকল্পিত স্পিড ব্রেকারগুলো যাচাই-বাছাই করে অপসারণ করা হলে সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।























