ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে বায়না করা জমি অন্যের নামে রেজিস্ট্রি, থানায় লিখিত অভিযোগ

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি।

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বায়না করা জমি অন্যের কাছে রেজিস্ট্রি করে দেওয়া, গালিগালাজ, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম (৪০) উঘারিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এদিকে বিরোধপূর্ণ জমিতে ট্রাক দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করার অভিযোগও করেছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাড়ি একই এলাকায় পাশাপাশি অবস্থিত। কাদির (৪২), শাহীন (৫৭), শাহাদাত (৩১) ও অন্যদের সঙ্গে রফিকুল ইসলামের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

রফিকুল ইসলামের দাবি, প্রায় সাত মাস আগে একই এলাকার সেলিনা আক্তার স্বপ্নার কাছ থেকে এসএ ৫৩ নম্বর খতিয়ানের এসএস ৪০৩ দাগের ২ দশমিক ৫ শতাংশ জমি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বায়না করেন তিনি। এ সময় নগদ ১ লাখ টাকা পরিশোধ করে জমির দখল বুঝে নেন বলে দাবি তাঁর।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে বায়নাদাতা সেলিনা আক্তার স্বপ্না চুক্তি ভঙ্গ করে রফিকুল ইসলামের অজান্তে ওই জমির মধ্য থেকে ৯ শতাংশ সম্পত্তি অন্য এক ব্যক্তির কাছে সাফ-কবলা দলিলমূলে রেজিস্ট্রি করে দেন। তবে জমির পরিমাণ ও দলিলসংক্রান্ত বিষয়গুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

রফিকুল ইসলামের অভিযোগ, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। এতে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও সমাধান না হওয়ায় তিনি আইনগত সহায়তা চেয়ে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর আরও অভিযোগ, এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর পক্ষের দুজন ব্যক্তিকে থানায় আটক রাখা হয়েছে। তবে তাঁদের আটকের কারণ ও এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানা যায়নি।

এদিকে গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে ট্রাক দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রফিকুল ইসলাম। তাঁর দাবি, জমি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সেখানে মাটি ভরাটের কাজ বন্ধ রাখা প্রয়োজন।

অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে উঘারিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা, আরামকোর ভবনে আগুন

শাহরাস্তিতে বায়না করা জমি অন্যের নামে রেজিস্ট্রি, থানায় লিখিত অভিযোগ

আপডেট : ০৯:৪৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বায়না করা জমি অন্যের কাছে রেজিস্ট্রি করে দেওয়া, গালিগালাজ, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম (৪০) উঘারিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এদিকে বিরোধপূর্ণ জমিতে ট্রাক দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করার অভিযোগও করেছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাড়ি একই এলাকায় পাশাপাশি অবস্থিত। কাদির (৪২), শাহীন (৫৭), শাহাদাত (৩১) ও অন্যদের সঙ্গে রফিকুল ইসলামের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

রফিকুল ইসলামের দাবি, প্রায় সাত মাস আগে একই এলাকার সেলিনা আক্তার স্বপ্নার কাছ থেকে এসএ ৫৩ নম্বর খতিয়ানের এসএস ৪০৩ দাগের ২ দশমিক ৫ শতাংশ জমি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বায়না করেন তিনি। এ সময় নগদ ১ লাখ টাকা পরিশোধ করে জমির দখল বুঝে নেন বলে দাবি তাঁর।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে বায়নাদাতা সেলিনা আক্তার স্বপ্না চুক্তি ভঙ্গ করে রফিকুল ইসলামের অজান্তে ওই জমির মধ্য থেকে ৯ শতাংশ সম্পত্তি অন্য এক ব্যক্তির কাছে সাফ-কবলা দলিলমূলে রেজিস্ট্রি করে দেন। তবে জমির পরিমাণ ও দলিলসংক্রান্ত বিষয়গুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

রফিকুল ইসলামের অভিযোগ, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। এতে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও সমাধান না হওয়ায় তিনি আইনগত সহায়তা চেয়ে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর আরও অভিযোগ, এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর পক্ষের দুজন ব্যক্তিকে থানায় আটক রাখা হয়েছে। তবে তাঁদের আটকের কারণ ও এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানা যায়নি।

এদিকে গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে ট্রাক দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রফিকুল ইসলাম। তাঁর দাবি, জমি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সেখানে মাটি ভরাটের কাজ বন্ধ রাখা প্রয়োজন।

অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে উঘারিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ।