বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার চাতরী চৌমুহনী টানেল মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এ গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গণ-অভ্যুত্থানের গণরায় বাস্তবায়ন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে জুবাইরুল আলম মানিক বলেন, ‘আমরা ইউএনও ও ওসিকে প্রশ্ন করতে চাই—২৬ জুলাইয়ের ঘটনা আপনারা দেখেননি? তখন বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা থানাগুলোতে আগুন দিয়েছে। যে পুলিশ জনগণের টাকায় পরিচালিত হয়, অথচ সেই পুলিশকেই আমরা পিটিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছি—এ দৃশ্য কি আপনারা দেখেননি।

তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। তবে উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসন বিরোধী শক্তিকে মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দলীয় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তোলেন এই এনসিপি নেতা।
সরকারি সহায়তা কার্যক্রম নিয়েও সমালোচনা করেন জুবাইরুল আলম মানিক। তার অভিযোগ, টিসিবি ও ওএমএসের মতো কর্মসূচির সুবিধা সঠিকভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না; বরং বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার মাধ্যমে তা বণ্টন করা হচ্ছে।
এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ড প্রদান ও বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের জনপ্রতিনিধিদের সুপারিশ আনতে বলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘এমপির কথা ছাড়া একটি ফাইলও নড়ে না’, যা বৈষম্যমূলক পরিস্থিতি তৈরি করছে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আনোয়ারা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আবদুল গনি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবুল হাছান খোকা।
এতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

























