হাজীগঞ্জ বড় মসজিদের মোতাওয়াল্লী প্রিন্স শাকিল আহমেদ বলেছেন, আমার বিরুদ্ধে আদালতের কোন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নেই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে আমাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মচারি আমার বাবাব হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের মোতাওয়াল্লি ড. মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী, বর্তমান মোতাওয়াল্লি আমি প্রিন্স শাকিল আহমেদ ও আমার ছোট ভাই হাইকোটের আইনজীবি
ব্যারিস্টার শাহরিয়ার আহমেদকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং সিআর মামলা নং-৮২৮/২৫। ওই মামলায় আমরা বিজ্ঞ আদালত থেকে জামিনে আছি। তবুও কেউ কেউ প্রচার করছে আমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তাই বিষয়টি ক্লিয়ার করলাম।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংক্রান্ত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

তিনি বলেন, যে সিআর মামলা নং-৮২৮/২৫-এর কথা উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, সেই একই মামলায় তিনি পূর্বেই আদালত থেকে জামিন গ্রহণ করেছেন। এ সংক্রান্ত আদালতের জামিনের নথিপত্রও তার কাছে রয়েছে এবং তা তিনি সংবাদ কর্মীদের প্রদান করেন।
শাকিল আহমেদ প্রিন্সের দাবি, তিনি মামলাটিতে আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছেন এবং তাকে গ্রেফতার এড়ানো ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন থাকায় তিনি আদালতের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে আইনগতভাবেই এর মোকাবিলা করবেন।
উল্লেখ্য, উক্ত মামলায় হাজীগঞ্জ মডেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও হাজীগঞ্জ বড় মসজিদের সাবেক মোতাওয়াল্লী ড. আলমগীর কবির পাটওয়ারী এবং আইনজীবী শাহরিয়ার আহমেদ শাওনের নামও রয়েছে। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের সাবেক মোতাওয়াল্লি ও হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ড. মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী বলেন, আমাদের কর্মচারি আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তার কাছে হিসাব চাওয়ায় আমাদের দোষ হয়েছে। সে আমাদের কর্মচারি হয়ে টাকা পয়সার হিসাব না দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এটা আইনিভাবে মোকাবেলা করা হবে।
























