• ঢাকা
  • সোমবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
সর্বশেষ আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২

গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করে সফল উদ্যোক্তা হাজীগঞ্জের বিদেশ ফেরত সুমন

অনলাইন ডেস্ক
[sharethis-inline-buttons]

জহির হোসেন॥
গ্রীষ্মকালীন বারি হাইব্রিড টমেটো খেতে বেশ সুস্বাদু। বাজারেও রয়েছে এই টমেটোর ব্যাপক চাহিদা। সল্প খরচে উৎপাদম ও চড়া দামে টমেটো বিক্রয় হওয়ার কারনে বাণিজ্যিক ভাবে সফলতার আশায় বৈজ্ঞানিক উপায়ে টমেটো চাষ করে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের বিদেশ ফেরত যুবক সুমন দেবনাথ।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও মাটি উর্বর হওয়ায় টমেটো চাষ ভালো হয়েছে। সাধারণত গ্রীষ্মকালীন বারি হাইব্রিড জাতের টমেটো গাছ লাগানোর ২-৩ মাসের মধ্যে ফল ধরতে শুরু করে। চার থেকে পাঁচ মাস পর্যন্ত এ টমেটো সংগ্রহ করে বাজারজাত করা যায়।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের কোন ল্যমাত্রা ছিলনা তবে ব্যক্তি পর্যায়ে ২জন টমেটু চাষ করেছে। তাদেরকে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সকল পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

সুমন দেবনাথ বলেন, টমেটো সাধারণত শীতকালীন ফসল। তবে গ্রীষ্মকালে আমাদের অঞ্চলে টমাটুর চাষ শুরু হয়নি। আমিই প্রথম ব্যক্তি উদ্যোগে এ প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এ জন্য উত্তরবঙ্গ থেকে ১৫টাকা করে টমাটুর চারা কিনে এনেছি। প্রথম বারের মতো টমেটু চাষ করে আলোর মুখ দেখতে পাচ্ছি।

কৃষক সুমন বলেন, আমি টমাটুর পাশা-পাশি বিজলি মরিচ, লাল ঢেঁরশ, লাউয়ের আবাদ করেছি। সব কিছুর ফসলই ভালো হয়েছে। যদি কোন কৃষক এসব চারা গাছ নিতে চায় তাহলে আমার সাথে যোগা করলে আমি সহযোগিতা করবো।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের কাশেমপুর গ্রামে মাত্র ১৩ শতাংস জমিতে বিশেষ পদ্ধতিতে মার্কিং প্লাস্টিং দিয়ে মাটি ঢেকে বারি ৮ জাতের টমেটো চাষ করেছেন কৃষক সুমন। প্রথম বছর টমেটো খরচ বেশি হলেও পরবর্তী বছর থেকে খরচ কম হয় বলে জানা গেছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা দিলরুবা খানম জানান, টমেটো খেতে বেশ সুস্বাদু। গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করে সফলতার মুখ দেখছে কৃষক সুমন।

Sharing is caring!

[sharethis-inline-buttons]

আরও পড়ুন

  • সারা দেশ এর আরও খবর