পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার নাটেহারা গ্রামে এখন বইছে কর্মচাঞ্চল্য। গ্রামটির প্রায় ২০টি মৃৎশিল্প পরিবার দিন-রাত পরিশ্রম করে তৈরি করছেন বৈচিত্র্যময় মাটির পণ্য।
বৈশাখের উৎসবকে ঘিরে মৃৎশিল্পীরা তৈরি করছেন হাতি, ঘোড়া, পুতুল, হাড়ি-পাতিলসহ নানান আকর্ষণীয় সামগ্রী। কাঁচা মাটির তৈরি এসব পণ্য শুকানোর পর শেষ সময়ে তুলির আঁচড়ে রঙিন করে তুলছেন শিল্পীরা। কেউ ব্যস্ত রঙের কাজে, আবার কেউ তৈরি পণ্য বাজারজাত করার প্রস্তুতিতে সময় কাটাচ্ছেন।
এই কর্মযজ্ঞে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও সমানতালে অংশ নিচ্ছেন। পরিবারের সবাই মিলে কাজ করায় গ্রামজুড়ে তৈরি হয়েছে এক উৎসবমুখর পরিবেশ।
স্থানীয় মৃৎশিল্পীরা জানান, পহেলা বৈশাখ তাদের জন্য বছরের অন্যতম বড় বিক্রির মৌসুম। এই সময়টিকে কেন্দ্র করে তারা সারা বছরের আয়ের একটি বড় অংশ অর্জনের আশা করেন।
তবে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি ও আধুনিক প্লাস্টিক পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতার কারণে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখেও পড়তে হচ্ছে তাদের। তারপরও ঐতিহ্য ধরে রাখতে নিরলস পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছেন হাজীগঞ্জের এই মৃৎশিল্পীরা।
বাঙালির ঐতিহ্যবাহী এই মৃৎশিল্প শুধু জীবিকার উৎস নয়, বরং গ্রামীণ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বৈশাখকে ঘিরে হাজীগঞ্জের নাটেহারা গ্রাম যেন আবারও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে সেই চিরচেনা বাংলার রঙিন
























