ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এলাকায় আসেননি, কোনো প্রচার–প্রচারণা চালাননি, তবু পেয়েছেন ১৩৮ ভোট

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১২:১৩:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 361

এনামুল হকছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা) আসনের নির্বাচনী এলাকায় একবারও আসেননি নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী এনামুল হক। ভোটারদের কাছে গিয়ে তাঁর পক্ষে প্রচার চালানো হয়নি। এরপরও তিনি পেয়েছেন মোট ১৩৮ ভোট। বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আলোচনা তৈরি করেছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর-২ আসনে এবারের নির্বাচনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচনে জয়ী হন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

আসনটিতে কেটলি প্রতীক নিয়ে ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা’ করেন এনামুল হক। মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার ১৫৫টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোট পেয়েছেন ১৩৮টি। গড়ে প্রতি কেন্দ্রে একটির কম ভোট পেয়েছেন তিনি। ফলে নির্বাচনে জামানত হারাচ্ছেন তিনি।

দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এনামুল হকের বাড়ি মতলব উত্তর উপজেলার পশ্চিম বাইশপুর এলাকায়। তিনি ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন। ভোটারও হয়েছেন রাজধানীর একটি এলাকায়। মনোনয়নপত্র দাখিল ও যাচাই-বাছাইয়ের দিনও তিনি নিজের নির্বাচনী এলাকায় আসেননি, পাঠিয়েছিলেন প্রতিনিধি। এরপর প্রচার শুরুর পর থেকে তিনি একবারের জন্যও সেখানে আসেননি। ১৫৫টি ভোটকেন্দ্রের একটিতেও কোনো পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দেননি। ফল গণনার পর দেখা যায়, কোনো প্রচার না চালিয়েও তিনি শতাধিক ভোট পেয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের অন্তত ১০ জন বাসিন্দা মন্তব্য করেন, অনেক প্রার্থী ভোটারের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেও প্রত্যাশিত ভোট পাননি। আর নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ভোটের প্রচার বা প্রার্থনা না করেও এসব ভোট পেয়েছেন। এ যেন মেঘ না চেয়েই বৃষ্টি পাওয়ার মতো ঘটনা।

এ বিষয়ে জানতে এনামুল হকের মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি সাড়া দেননি। ভোটের আগে-পরেও তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

চীনা যন্ত্রাংশ দিয়ে মিসাইল বানাচ্ছে হুথিরা, লক্ষ্য সৌদি ও ইসরাইল

এলাকায় আসেননি, কোনো প্রচার–প্রচারণা চালাননি, তবু পেয়েছেন ১৩৮ ভোট

আপডেট : ১২:১৩:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা) আসনের নির্বাচনী এলাকায় একবারও আসেননি নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী এনামুল হক। ভোটারদের কাছে গিয়ে তাঁর পক্ষে প্রচার চালানো হয়নি। এরপরও তিনি পেয়েছেন মোট ১৩৮ ভোট। বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আলোচনা তৈরি করেছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর-২ আসনে এবারের নির্বাচনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচনে জয়ী হন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

আসনটিতে কেটলি প্রতীক নিয়ে ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা’ করেন এনামুল হক। মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার ১৫৫টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোট পেয়েছেন ১৩৮টি। গড়ে প্রতি কেন্দ্রে একটির কম ভোট পেয়েছেন তিনি। ফলে নির্বাচনে জামানত হারাচ্ছেন তিনি।

দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এনামুল হকের বাড়ি মতলব উত্তর উপজেলার পশ্চিম বাইশপুর এলাকায়। তিনি ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন। ভোটারও হয়েছেন রাজধানীর একটি এলাকায়। মনোনয়নপত্র দাখিল ও যাচাই-বাছাইয়ের দিনও তিনি নিজের নির্বাচনী এলাকায় আসেননি, পাঠিয়েছিলেন প্রতিনিধি। এরপর প্রচার শুরুর পর থেকে তিনি একবারের জন্যও সেখানে আসেননি। ১৫৫টি ভোটকেন্দ্রের একটিতেও কোনো পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দেননি। ফল গণনার পর দেখা যায়, কোনো প্রচার না চালিয়েও তিনি শতাধিক ভোট পেয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের অন্তত ১০ জন বাসিন্দা মন্তব্য করেন, অনেক প্রার্থী ভোটারের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেও প্রত্যাশিত ভোট পাননি। আর নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ভোটের প্রচার বা প্রার্থনা না করেও এসব ভোট পেয়েছেন। এ যেন মেঘ না চেয়েই বৃষ্টি পাওয়ার মতো ঘটনা।

এ বিষয়ে জানতে এনামুল হকের মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি সাড়া দেননি। ভোটের আগে-পরেও তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।