ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হাইমচরে সাবেক ইউপি সদস্য আঃ হক মোল্লার উপর সন্ত্রাসীদের হামলা

  • আপডেট: ০৪:০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৯
  • ১৪

হাইমচর প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় আঃ হক মোল্লা (৫৫) নামে ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক এক সদস্যে ও আওয়ামী লীগ নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। তাকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রবিবার (২৫ আগস্ট) সকালে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডাঃ আসিবুল হাসান বলেন,আহত আব্দুল হক মোল্লাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তার মাথায় ৪ টি সেলাই দেয়া হয়েছে। এছাড়াও তার পায়ে জখম রয়েছে।

আহত আঃ হক মোল্লা ৫ নং হাইমচর সদর ইউনিয়নের সাবেক সদস্য ছিলেন। তিনি বিশ বছর মেম্বারের দায়িত্ব পালন করেন।

জানাযায়, গত ইউপি নির্বাচনে আহত আঃ হক মোল্লা ও বর্তমান চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সরকার উভয়ই আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। সেখান থেকেই তাদের দুজনের মাঝে বিরোধ দেখা দেয়।

এ ছাড়াও আঃ হক মোল্লার মাছের আড়তে গিয়ে প্রায় সময় বর্তমান চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সরকার ও তার লোকজন চাঁদা দাবী করে।এসব কারনে আঃ হক মোল্লার সাথে বর্তমান চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেনের বিরোধ চলে আসছিলো। এরই প্রক্ষিতে ২৪ আগস্ট সন্ধ্যায় হাইমচর ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ বাজারের জয়নালের দোকানে আঃ হক মোল্লাকে একা পেয়ে চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সরকারের নেতৃত্বে তার লোকজন মিলে তাকে দেশীয় অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে জখম করে এবং তার কাছে থাকা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আঃ হক মোল্লাকে উদ্ধার করে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। সেখান থেকে ২৫ আগস্ট রোববার তাকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে রেপার করা হয়। বর্তমানে তিনি চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এ ব্যাপারে আহত আঃ হক মোল্লা জানান, আমি এ ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী। একারনে বর্তমান চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন আমার পেছেন লেগে আছে।সে কোন প্রতিপক্ষ রাখবে না বলে হুমকি দিচ্ছে এবং প্রাণনাশের চেষ্টায় হামলা করাচ্ছে। এ ঘটনায় হাইমচর থানায় মামলা করবেন। মামলা না নিলে কোর্টে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

এঘটনায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সরকারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি হামলার কথা অস্বীকার করে বলেন, স্থানিয় এক মেম্বারের সাথে পূর্বের দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রতিপক্ষরা আঃহক মোল্লার সাথে গন্ডগোল করেছে। আমি বাজারে গিয়ে উভয়কে মানিয়ে দিয়েছি।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

বিএনপি-জাময়াতের নাশকতায় চাঁদপুরে পুলিশের ৭ মামলায় আসামী ৩ সহস্রাধীক

হাইমচরে সাবেক ইউপি সদস্য আঃ হক মোল্লার উপর সন্ত্রাসীদের হামলা

আপডেট: ০৪:০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৯

হাইমচর প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় আঃ হক মোল্লা (৫৫) নামে ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক এক সদস্যে ও আওয়ামী লীগ নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। তাকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রবিবার (২৫ আগস্ট) সকালে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডাঃ আসিবুল হাসান বলেন,আহত আব্দুল হক মোল্লাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তার মাথায় ৪ টি সেলাই দেয়া হয়েছে। এছাড়াও তার পায়ে জখম রয়েছে।

আহত আঃ হক মোল্লা ৫ নং হাইমচর সদর ইউনিয়নের সাবেক সদস্য ছিলেন। তিনি বিশ বছর মেম্বারের দায়িত্ব পালন করেন।

জানাযায়, গত ইউপি নির্বাচনে আহত আঃ হক মোল্লা ও বর্তমান চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সরকার উভয়ই আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। সেখান থেকেই তাদের দুজনের মাঝে বিরোধ দেখা দেয়।

এ ছাড়াও আঃ হক মোল্লার মাছের আড়তে গিয়ে প্রায় সময় বর্তমান চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সরকার ও তার লোকজন চাঁদা দাবী করে।এসব কারনে আঃ হক মোল্লার সাথে বর্তমান চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেনের বিরোধ চলে আসছিলো। এরই প্রক্ষিতে ২৪ আগস্ট সন্ধ্যায় হাইমচর ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ বাজারের জয়নালের দোকানে আঃ হক মোল্লাকে একা পেয়ে চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সরকারের নেতৃত্বে তার লোকজন মিলে তাকে দেশীয় অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে জখম করে এবং তার কাছে থাকা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আঃ হক মোল্লাকে উদ্ধার করে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। সেখান থেকে ২৫ আগস্ট রোববার তাকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে রেপার করা হয়। বর্তমানে তিনি চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এ ব্যাপারে আহত আঃ হক মোল্লা জানান, আমি এ ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী। একারনে বর্তমান চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন আমার পেছেন লেগে আছে।সে কোন প্রতিপক্ষ রাখবে না বলে হুমকি দিচ্ছে এবং প্রাণনাশের চেষ্টায় হামলা করাচ্ছে। এ ঘটনায় হাইমচর থানায় মামলা করবেন। মামলা না নিলে কোর্টে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

এঘটনায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সরকারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি হামলার কথা অস্বীকার করে বলেন, স্থানিয় এক মেম্বারের সাথে পূর্বের দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রতিপক্ষরা আঃহক মোল্লার সাথে গন্ডগোল করেছে। আমি বাজারে গিয়ে উভয়কে মানিয়ে দিয়েছি।