ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চান্দ্রায় মসজিদের বিদ্যুৎ অবৈধ ভাবে দোকানে নেওয়ায় ২ পক্ষের সংঘর্ঘে আহত-১০ ॥ এলাকায় উত্তেজনা

  • আপডেট: ০২:১১:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অগাস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি॥
চাঁদপুর সদর উপজেলার চাঁন্দ্রায় মসজিদ থেকে দোকানে অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার নিয়ে ২ পক্ষের মধ্যে ২দফা সংঘর্ঘের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ২ পক্ষের কমপক্ষে ১০জন আহত কয়েছে। মারাত্বক আহতদের মধ্যে ৫জনকে তাৎক্ষনিক চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার হয়। ঘটনাটি ঘটেছে,গতকাল বুধবার রাতে চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা চৌরাস্তায় ও চান্দ্রা গাজী বাড়ি সমজিদ এলাকায়। চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তিকৃত ও আহরা হচেছ,মো: আবু তাহের,মো: মফিজ গাজী,খাজা আহমেদ,আনিছ গাজী,মনির গাজী,মাহবুব গাজী,মো:সোহাগ গাজী,মনোয়ারা বেগম,মরিয়ম বেগম,জান্নাত। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় ২পক্ষ পুনরায় সংঘর্ঘের জন্য আবার ও সংগঠিত হচেছ বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে।
সরোজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যাক্ষদর্শিদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়,চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা এলাকার উত্তর বাখরপুর গাজী বাড়ি এলাকার বাইতুল মামুন জামে মসজিদের নিজস্ব বিদ্যুতের মিটার থেকে পাশর্^বর্তী রিমন স্টোরের মালিক এলাকার আলী গাজীর ছেলে লালু গাজী অবৈধ ভাবে সমজিদ কমিটির অনুমতি ছাড়া বিদ্যুৎ নিয়ে গত ১মাস যাবত ব্যবহার করে যাচেছ। এ ঘটনা নিয়ে ঐ এলাকায় গাজীবাড়ির বাসিন্দাদের মধ্যে ২টি গ্রুপের সৃস্টি হয়ে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিল। গতকাল বুধবার বিকেলে গাজীবাড়ির আলী গাজীর ছেলে মো: মাহবুব গাজী পূর্ব সিদ্বান্ত মোতাবেক সমজিদের মুসল্লিদের নামাজের অজু করার স্থানে টিনের চালা না দেওয়া ও মসজিদ থেকে কেন বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছি এ ঘটনাকে কেন্দ্রকরে গাজী বাড়ির মফিজ গাজীর সাথে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চান্দ্রা চৌরাস্তায় সন্ধ্যায় মফিজ গাজী, মাহবুব গাজী ও তার বড় ভাই সোহাগ গাজীকে একা পেয়ে পুনরায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায় স্টিলের টচলাইট দিয়ে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তাৎক্ষনিক এলাকাবাসী উভয়কে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে দেয়। পরবর্তীতে এশার নামাজের পর রাত সাড়ে ৮টায় চান্দ্রা বাখরপুর এলাকায় মসজিদের কাছ দিয়ে মফিজ গাজী,আবু তাহের গাজী, মনির গাজী,আনিছ গাজী ও খাজা আহমেদ গাজী বাড়ি যাওয়ার সময় লালু গাজী, সোহাগ গাজী,তার ভাই মাহবুব গাজীসহ একদল দুবৃর্ত্তরা পরিকল্পত ভাবে দেশীয় অস্ত্র,শস্ত্র নিয়ে অতর্কিত ভাবে হামলা চালালে কয়েকজনের মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় খবর পেয়ে গাজীবাড়ির মহিলারাও এসে এ ঘটনায় লিপ্ত হয়। এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ২ পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন মারাত্বক ভাবে আহত হয়। এ ব্যাপারে রিমন স্টোরের মালিক লালু গাজী জানান, আমি মসজিদ থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে একটি ফ্রিজ,একটি টিভি ও ২টি লাইট ব্যবহার করছি। চাঁদপুর ইউএনও অফিসের কর্মচারী সমজিদ কমিটির সদস্য আজিজ গাজী থেকে অনুমতি নিয়ে সমজিদ থেকে বিদ্যুৎ নিয়েছি। মাস শেষে বিল পরিশোধ করবো। এ ব্যাপারে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল কাদির ও সাধারন সম্পাদক ওহিদুজ্জামান জানান,আমরা এ বিদ্যুৎ দেওয়া-নেওয়া নিয়ে কিছুই জানিনা। আমাদের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে বিদ্যুৎ নেয়নি। যারা বিদ্যুৎ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে,তারা এ ঘটনা সামলাবে। এলাকাবাসী জানান বর্তমানে এলাকায় যে অবস্থা আবারও সংঘর্ঘের আশংকা দেখা যাচেছ।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপি’র ঈদ শুভেচ্ছা

চান্দ্রায় মসজিদের বিদ্যুৎ অবৈধ ভাবে দোকানে নেওয়ায় ২ পক্ষের সংঘর্ঘে আহত-১০ ॥ এলাকায় উত্তেজনা

আপডেট: ০২:১১:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অগাস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি॥
চাঁদপুর সদর উপজেলার চাঁন্দ্রায় মসজিদ থেকে দোকানে অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার নিয়ে ২ পক্ষের মধ্যে ২দফা সংঘর্ঘের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ২ পক্ষের কমপক্ষে ১০জন আহত কয়েছে। মারাত্বক আহতদের মধ্যে ৫জনকে তাৎক্ষনিক চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার হয়। ঘটনাটি ঘটেছে,গতকাল বুধবার রাতে চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা চৌরাস্তায় ও চান্দ্রা গাজী বাড়ি সমজিদ এলাকায়। চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তিকৃত ও আহরা হচেছ,মো: আবু তাহের,মো: মফিজ গাজী,খাজা আহমেদ,আনিছ গাজী,মনির গাজী,মাহবুব গাজী,মো:সোহাগ গাজী,মনোয়ারা বেগম,মরিয়ম বেগম,জান্নাত। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় ২পক্ষ পুনরায় সংঘর্ঘের জন্য আবার ও সংগঠিত হচেছ বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে।
সরোজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যাক্ষদর্শিদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়,চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা এলাকার উত্তর বাখরপুর গাজী বাড়ি এলাকার বাইতুল মামুন জামে মসজিদের নিজস্ব বিদ্যুতের মিটার থেকে পাশর্^বর্তী রিমন স্টোরের মালিক এলাকার আলী গাজীর ছেলে লালু গাজী অবৈধ ভাবে সমজিদ কমিটির অনুমতি ছাড়া বিদ্যুৎ নিয়ে গত ১মাস যাবত ব্যবহার করে যাচেছ। এ ঘটনা নিয়ে ঐ এলাকায় গাজীবাড়ির বাসিন্দাদের মধ্যে ২টি গ্রুপের সৃস্টি হয়ে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিল। গতকাল বুধবার বিকেলে গাজীবাড়ির আলী গাজীর ছেলে মো: মাহবুব গাজী পূর্ব সিদ্বান্ত মোতাবেক সমজিদের মুসল্লিদের নামাজের অজু করার স্থানে টিনের চালা না দেওয়া ও মসজিদ থেকে কেন বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছি এ ঘটনাকে কেন্দ্রকরে গাজী বাড়ির মফিজ গাজীর সাথে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চান্দ্রা চৌরাস্তায় সন্ধ্যায় মফিজ গাজী, মাহবুব গাজী ও তার বড় ভাই সোহাগ গাজীকে একা পেয়ে পুনরায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায় স্টিলের টচলাইট দিয়ে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তাৎক্ষনিক এলাকাবাসী উভয়কে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে দেয়। পরবর্তীতে এশার নামাজের পর রাত সাড়ে ৮টায় চান্দ্রা বাখরপুর এলাকায় মসজিদের কাছ দিয়ে মফিজ গাজী,আবু তাহের গাজী, মনির গাজী,আনিছ গাজী ও খাজা আহমেদ গাজী বাড়ি যাওয়ার সময় লালু গাজী, সোহাগ গাজী,তার ভাই মাহবুব গাজীসহ একদল দুবৃর্ত্তরা পরিকল্পত ভাবে দেশীয় অস্ত্র,শস্ত্র নিয়ে অতর্কিত ভাবে হামলা চালালে কয়েকজনের মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় খবর পেয়ে গাজীবাড়ির মহিলারাও এসে এ ঘটনায় লিপ্ত হয়। এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ২ পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন মারাত্বক ভাবে আহত হয়। এ ব্যাপারে রিমন স্টোরের মালিক লালু গাজী জানান, আমি মসজিদ থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে একটি ফ্রিজ,একটি টিভি ও ২টি লাইট ব্যবহার করছি। চাঁদপুর ইউএনও অফিসের কর্মচারী সমজিদ কমিটির সদস্য আজিজ গাজী থেকে অনুমতি নিয়ে সমজিদ থেকে বিদ্যুৎ নিয়েছি। মাস শেষে বিল পরিশোধ করবো। এ ব্যাপারে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল কাদির ও সাধারন সম্পাদক ওহিদুজ্জামান জানান,আমরা এ বিদ্যুৎ দেওয়া-নেওয়া নিয়ে কিছুই জানিনা। আমাদের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে বিদ্যুৎ নেয়নি। যারা বিদ্যুৎ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে,তারা এ ঘটনা সামলাবে। এলাকাবাসী জানান বর্তমানে এলাকায় যে অবস্থা আবারও সংঘর্ঘের আশংকা দেখা যাচেছ।