ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে আংশিক চালু হয়েছে চাঁদপুর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৩:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪
  • 114

অনলাইন নিউজ ডেস্ক :

সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে বন্ধ থাকা চাঁদপুর ১৫০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র এক বছর দুই মাস পর আবারও চালু হয়েছে। তবে গ্যাস সংকট থাকায় এখনই শতভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারছে না কেন্দ্রটি। বর্তমানে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।

বুধবার (১৩ মার্চ) সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আকতারুজ্জামান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ৪৬মিনিট থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু হয়েছে।

২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র। বুয়েটসহ অন্যান্য অভিজ্ঞ প্রকৌশলীরা কয়েকদফা চেষ্টা করেও চালু করতে পারিনি এটি। এরপর ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে চালু হওয়ার কথা থাকলে এলসি সংক্রান্ত জটিলায় তা সম্ভব হয়নি।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আকতারুজ্জামান আরও বলেন, ২০২২ সালে ৬ ডিসেম্বর রক্ষাণাবেক্ষণ কাজের জন্য বন্ধ হয় দুটি ইউনিট। একটি ৫০ মেগাওয়াট এবং অপরটি ১০০ মেগাওয়াট। এখন ১০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছে। গ্যাস বুষ্টার বিকল হওয়ায় কিছুটা বিলম্ব হয়। বর্তমানে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহ ঠিক থাকলে ৮০ থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়ে উঠবে।

২০১০ সালের ২৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাঁদপুর শহরের গুনরাজদী এলাকায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। এক হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করে চায়না চেংদা ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরুর পর ২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

বাড়ছে ইলিশের আমদানি: দাম নামতে পারে অর্ধেকে

অবশেষে আংশিক চালু হয়েছে চাঁদপুর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

আপডেট : ০৩:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

অনলাইন নিউজ ডেস্ক :

সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে বন্ধ থাকা চাঁদপুর ১৫০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র এক বছর দুই মাস পর আবারও চালু হয়েছে। তবে গ্যাস সংকট থাকায় এখনই শতভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারছে না কেন্দ্রটি। বর্তমানে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।

বুধবার (১৩ মার্চ) সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আকতারুজ্জামান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ৪৬মিনিট থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু হয়েছে।

২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র। বুয়েটসহ অন্যান্য অভিজ্ঞ প্রকৌশলীরা কয়েকদফা চেষ্টা করেও চালু করতে পারিনি এটি। এরপর ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে চালু হওয়ার কথা থাকলে এলসি সংক্রান্ত জটিলায় তা সম্ভব হয়নি।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আকতারুজ্জামান আরও বলেন, ২০২২ সালে ৬ ডিসেম্বর রক্ষাণাবেক্ষণ কাজের জন্য বন্ধ হয় দুটি ইউনিট। একটি ৫০ মেগাওয়াট এবং অপরটি ১০০ মেগাওয়াট। এখন ১০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছে। গ্যাস বুষ্টার বিকল হওয়ায় কিছুটা বিলম্ব হয়। বর্তমানে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহ ঠিক থাকলে ৮০ থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়ে উঠবে।

২০১০ সালের ২৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাঁদপুর শহরের গুনরাজদী এলাকায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। এক হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করে চায়না চেংদা ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরুর পর ২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।