চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মৃত নারীর কবর খোঁড়াকে কেন্দ্র করে শ্বশুর পরিবার ও জামাতার মধ্যে বিরোধের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বাধা দেওয়ার প্রতিবাদ করতে গিয়ে একজন আহত হয়েছেন। পরে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হলে অভিযুক্ত জামাতা এলাকা থেকে পালিয়ে আসে।
শুক্রবার (৫ জুন) রাতে হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের খাটরা-বিলওয়াই গ্রামের বেপারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্টেশন রোড এলাকার ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেনের মা শুক্রবার সন্ধ্যায় মারা যান। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কবর করার কাজ শুরু হলে আনোয়ার হোসেন এর মেয়ের জামাতা আলাল হোসেন এতে আপত্তি জানান। আলালের দাবি, ওই জায়গায় তাঁর সম্পত্তির অংশ রয়েছে। এ কারণে সেখানে কবর করা যাবে না বলে তিনি জানান।
এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আলাল তার চাচা শশুর দুলাল মিয়া এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আলাল হোসেন এলাকা থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
অভিযুক্ত আলাল হোসেন সোমবার সংবাদকর্মীদের জানান, আমার জায়গায় কবর দিতে চেয়েছিলো। তাই আমি দাফনে বাঁধা প্রদান করেছি।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুল মান্নান বলেন, নারীর লাশ দাফনে কেউ একজন বাঁধা দিচ্ছে শুনে পুলিশ পাঠিয়েছি। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি সমাধান করে মরদেহ কবর দিয়ে দেয়।
























