ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভরাডুবি, পাসের হার ৪৪.৮৮ শতাংশ

সূচিপাড়া ডিগ্রি কলেজ

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গত ২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফলাফলের মুখে পড়েছে উপজেলার কলেজগুলো। উপজেলার ছয়টি কলেজের মধ্যে অর্ধেকের বেশি পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় উপজেলায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৪.৮৮ শতাংশ।

ফলাফল বিপর্যয়ের মধ্যেও আশার আলো দেখিয়েছে সুচিপাড়া ডিগ্রি কলেজ। ৭০.১১ শতাংশ পাসের হার নিয়ে উপজেলার মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। শুধু তাই নয়, উপজেলায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া দুজন শিক্ষার্থীই এ কলেজের।

অন্যদিকে, সবচেয়ে হতাশাজনক ফলাফল করেছে চিতোষী ডিগ্রি কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির মাত্র ২৫.৮৪ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। কলেজটির অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধের প্রভাব পরীক্ষার ফলাফলে পড়েছে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে।

উপজেলার একমাত্র সরকারি মহিলা কলেজ করফুলেন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজের ফলাফলও সন্তোষজনক নয়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে মাত্র ২৬.৫৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার কলেজটির ফলাফলে বড় ধরনের অবনতি হয়েছে।

এদিকে, সদ্য ঘোষিত মেহের ডিগ্রি কলেজের ফলাফলও হতাশাজনক। প্রতিষ্ঠানটির ৪০.৩২ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হলেও কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।

উপজেলার অন্য কলেজগুলোর মধ্যে চেড়িয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৬২.৩২ শতাংশ এবং খিলাবাজার স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪৮.১০ শতাংশ।

সামগ্রিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার অধিকাংশ কলেজেই পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে। এ অবস্থায় শিক্ষার মান, পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

ট্যাগস :

হাজীগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগ নেতা ফাহিম গ্রেফতার

শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভরাডুবি, পাসের হার ৪৪.৮৮ শতাংশ

আপডেট : ১১:৩২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গত ২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফলাফলের মুখে পড়েছে উপজেলার কলেজগুলো। উপজেলার ছয়টি কলেজের মধ্যে অর্ধেকের বেশি পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় উপজেলায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৪.৮৮ শতাংশ।

ফলাফল বিপর্যয়ের মধ্যেও আশার আলো দেখিয়েছে সুচিপাড়া ডিগ্রি কলেজ। ৭০.১১ শতাংশ পাসের হার নিয়ে উপজেলার মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। শুধু তাই নয়, উপজেলায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া দুজন শিক্ষার্থীই এ কলেজের।

অন্যদিকে, সবচেয়ে হতাশাজনক ফলাফল করেছে চিতোষী ডিগ্রি কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির মাত্র ২৫.৮৪ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। কলেজটির অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধের প্রভাব পরীক্ষার ফলাফলে পড়েছে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে।

উপজেলার একমাত্র সরকারি মহিলা কলেজ করফুলেন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজের ফলাফলও সন্তোষজনক নয়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে মাত্র ২৬.৫৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার কলেজটির ফলাফলে বড় ধরনের অবনতি হয়েছে।

এদিকে, সদ্য ঘোষিত মেহের ডিগ্রি কলেজের ফলাফলও হতাশাজনক। প্রতিষ্ঠানটির ৪০.৩২ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হলেও কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।

উপজেলার অন্য কলেজগুলোর মধ্যে চেড়িয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৬২.৩২ শতাংশ এবং খিলাবাজার স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪৮.১০ শতাংশ।

সামগ্রিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার অধিকাংশ কলেজেই পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে। এ অবস্থায় শিক্ষার মান, পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।