২৪ ঘন্টায় চাঁদপুর করোনা ও করোনা উপসর্গে ১৫জনের মৃত্যু

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আইসোশেন ইউনিটে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা উপসর্গ ও আক্রান্ত হয়ে ১৫জন নারী-পুরুষ মৃত্যুবরণ করেছেন।

এর মধ্যে বুধবার রাত ১০টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) ভোর ৬টা পর্যন্ত ৭জন মৃত্যুবরণ করেন। এর মধ্যে দুইজন করোনা আক্রান্ত ছিলেন।

করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া দুইজন হলেন- ফরিদগঞ্জের পূর্ব গাজিপুর এলাকার ইউসুফ পাঠান (৭০), চাঁদপুর সদর উপজেলার পূর্ব শ্রীরামদী এলাকার সামছুন্নাহার (৭৫)।

উপসর্গে মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- কচুয়া উপজেলার পোয়া এলাকার মনোয়ারা (৬০), খাজুরিয়া এলাকার আমেনা বেগম (৬৫), ফরিদগঞ্জের সিংহেরগাও এলাকার খলিলুর রহমান (৮৫), গনিয়া এলাকার আমির হোসেন (৭৫), রামগঞ্জের জয়পুরা এলাকার মনি (৫৫)।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সুজাউদ্দৗলা রুবেল বলেন, ৮ ঘণ্টার ব্যবধানে হাসপাতালের আইসোশন ওয়ার্ডে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন করোনা পজিটিভ এবং অন্যদের করোনা উপসর্গ ছিল।

এর আগে বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে আসার পথে ৬জন ও সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজন মৃত্যুবরণ করেছেন।

করোনায় আক্রান্ত মৃত ব্যাক্তিরা হলেন-চাঁদপুর শহরের বাবুরহাট মির্জাপুর এলাকার মো. শাহজাহান খান (৬৫), মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়নপুর এলাকার ইসহাক সরকার (৪৮)। তারা দু’জনই সকাল ১১টার পরে মৃত্যুবরণ করেন।

উপসর্গ নিয়ে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পথে সকাল ১০টায় মৃত্যুবরণ করেন মতলব দক্ষিণ উপজেলার পদুয়া গ্রামের আ. সাত্তারের স্ত্রী কামরুন্নাহার (৪০), চাঁদপুর শহরের বিষ্ণুদী এলাকার জলিল খন্দকার (৫৮), সদর উপজেলার দাসদী গ্রামের নুরজাহান (৬৫), রামপুর ইউনিয়নের কামরাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রব (৯৫), দাসাদী এলাকার সফরমালী গ্রামের আব্দুল জব্বার (৭০) ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের একতাবাজার এলাকার খুকি বেগম (৫৫)।

এসব মৃত ব্যাক্তিদের তাদের স্বজনরা বাড়ী থেকে নিয়ে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। কিন্তু পথিমধ্যে তারা মৃত্যুবরণ করেন। তাদেরকে হাসপাতালে আনার পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে তাদের প্রত্যেকেরই করোনা উপসর্গ ছিল।

Sharing is caring!