করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক হারে টিকাদান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এবারও সম্মুখসারির যোদ্ধা বা ফ্রন্টলাইনারদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমাদের ফ্রন্টলাইনে যারা কাজ করছেন। তাদের সব সময়ই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। আমাদের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, এয়ারফোর্স, কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং পুলিশসহ সব বাহিনীর সকল সদস্যদের টিকার আওতায় আনতে হবে এবং তাদের পরিবার-পরিজনসহ সবাই টিকার আওতায় আসবে।

গণমাধ্যম কর্মীদের উল্লেখ না করে মন্ত্রী বলেন, আপনারা যারা ফ্রন্টলাইনে কাজ করেন, ১৮ বছরের উপরে যারা তাদের সবাইকে আমরা টিকার আওতায় নিয়ে আসব।মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে করোনা নিয়ন্ত্রণে করণীয় ঠিক করতে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, পুলিশ বাহিনীর প্রধান, বিজিবি প্রধান, নৌবাহিনীর প্রতিনিধি, কোস্ট গার্ড, আনসার প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব এবং কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফ্রন্টলাইনার যারা আছেন তাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যার যে এরিয়া (এলাকা) সেই এরিয়াতে যেখানে নৌবাহিনী আছেন, সেখানে নৌবাহিনীর মাধ্যমেই টিকা কার্যক্রম তদারকি করা হবে। যেখানে পুলিশ আছেন সেখানে পুলিশের মাধ্যমে টিকা কার্যক্রম তদারকি করা হবে। টিকা যারা দিচ্ছেন তারাই দেবেন তদারকি করবে শুধু বাহিনীর লোকেরা। যাতে করে সবাকে আমরা সম্পৃক্ত করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, আমরা সবাইকে সম্পৃক্ত করতে চাই। জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, সমাজসেবক সবাইকে সম্পৃক্ত করতে চাই। আমরা সবাই মাস্ক পরব, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবো, আমরা সবাই টিকা নেব।

Sharing is caring!