প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। শিশুশিল্পী থেকে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান তিনি। ২০১২ সালে চিত্রপরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরের ‘ছোট্ট সংসার’ চলচ্চিত্রে দীঘি শিশু শিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন। এক যুগ আগের সেই ছোট্ট দীঘি এখন আর ছোট নেই। স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে পড়ছেন কলেজে। সেই ছোট্ট দীঘি এখন অনেক বড়। এরই মধ্যে তার নায়িকা হিসেবে অভিষেক হয়েছে।

ঈদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নিউজজি’কে দীঘি বলেন, ‘শৈশবের ঈদ খুব মজার ছিল। যা এখন খুব মিস করি। আমার কখনো গরুর হাটে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়নি। তবে যখন বাবা-মামা গরু কিনতে যেতেন তখন তাদের সাথে রওনা দিতাম। কিন্তু আমাকে তারা কেউ নিতো না। তবে গরু না আসা পর্যন্ত গ্যারেজে বসে থাকতাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ছোটবেলা ঈদ আসলে ৪-৫ দিন আগে থেকে দেখতাম মহল্লার কারা গরু কিনেছে সেগুলো দল বেধে দেখতে যেতাম। তখন বাসায় গিয়ে গিয়ে দেখে আসতাম কে-কোন কালার গুরু কিনেছে। এখন সেগুলো হয় না। এই বিষয়গুলো ভীষণ মিস করি।’

ছোটবেলা ঈদ মানেই অন্যরকম উত্তেজনা ছিল যোগ করে দীঘি বলেন, ‘দুই বছর ধরে মহামারি করোনার কারণে সেভাবে ঈদ পালন করা হচ্ছে না। আমাদের আশেপাশের কেউ ভালো নেই। প্রার্থনা করি দ্রুত আমাদের আগের সেই স্বাভাবিক জীবন ফিরে আসুক। করোনার কারণে এখন আর মার্কেটে যাওয়া হয় না। ঘরে বসেই অনলাইনে কেনাকেটা করা হয়।’

১০টি জামা ছাড়া ঈদ জমে না দীঘির। বলেন, ‘ঈদ মানে আমার সর্বনিম্ন ১০টি জামা লাগবেই। ছোটবেলার মতো এখনও ঘন্টার পর ঘন্টা নতুন জামা পাল্টাই। এখনও বাচ্চাদের মতো ঈদ পালন করি। প্রতি বছর আমরা সবাই এই ঈদের জন্যই অপেক্ষা করি।’

উল্লেখ্য, অভিনেতা সুব্রত ও অভিনেত্রী দোয়েল দম্পতির মেয়ে দীঘি। পাঁচ-ছয় বছরের ক্যারিয়ারে ৩৬টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছে সে। অধিকাংশ ছবিই ব্যবসা সফল। ২০০৬ সালে ‘কাবুলিওয়ালা’, ২০১০ সালে ‘চাচ্চু আমার চাচ্চু’ এবং ২০১২ সালে ‘এক টাকার বউ’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।

Sharing is caring!