চাঁদপুরের ৮ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৬০জনকে ১লাখ ৫৭হাজার টাকা অর্থদন্ড

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) অঞ্জনা খান মজলিশ এর নির্দেশনায় লকডাউনের চতুর্থ দিনে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। শহরে কিছু রিক্সা চললেও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলতে তেমন একটা দেখা যায়নি। বেশ কিছু সড়ক ও শহরের বড়স্টেশন মোলহেড এলাকাও ছিলো জনশূন্য।

রবিবার (৪ জুলাই) শহরের বেশ কিছু এলাকা ঘুরে এসব চিত্র পরিলক্ষিত হয়।

এদিকে সকাল থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত জেলায় স্বাস্থবিধি না মানায় জেলাসদর ও ৭ উপজেলার ইউএনও, সহকারী কমিশনার ভূমি ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ এসব পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ১শ’ ৬০ মামলায় ১শ’ ৬০জনকে ১ লাখ ৫৭হাজার ২শ’ টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, জেলা প্রশাসনের স্বেচ্ছাসেবক টিম ও আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্যদের সহায়তা সচেতনতামূলক প্রচারণা, মাইকিং ও মাস্ক বিতরণসহ সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করছেন।

সন্ধ্যায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুন্নাহার ফোকাস মোহনাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সকাল থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চাঁদপুর জেলায় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ১১টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ১৬০মামলায় ১৬০জনকে ১লাখ ৫৭ হাজার ২শ’ টাকা অর্থদন্ড করা হয়। একইসাথে স্বাস্থবিধি মেনে চলার জন্য জনসাধারণকে সচেতন করা হয়।

এছাড়াও এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনেও চাঁদপুর জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী। শহরের লোকজনকে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়ার জন্য মাইকিংসহ প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। জেলায় আশঙ্কাজনক হারে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এর মধ্যে চাঁদপুর সদর উপজেলায় আক্রান্ত রোগী সংখ্যা বেশী।

Sharing is caring!