ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইয়াবা কাণ্ডে ভাইরাল চাঁদপুরের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদ ক্লোজড

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৯:০০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • 182

ছবি-ত্রিনদী

চাঁদপুর সদরের রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের রাজারচর গ্রামের বাসিন্দা পুলিশ কন্সটেবল ফয়েজ আহমেদ ইয়াবা কান্ডে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বেশ কিছু আপত্তিকর ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে। তার কর্মস্থল চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানায় কন্সটেবলের দায়িত্ব পালনকালে তিনি ইয়াবালুটে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।

১ নভেম্বর রোববার ফয়েজ আহমেদের এরুপ ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার বড় ভাই রাজরাজেশ্বরের জনপ্রতিনিধি রনি। ফয়েজ আহমেদের পিতা হচ্ছেন রাজরাজেশ্বরের মোঃ ইয়াকুব গাজী ও মাতা নাছিমা বেগম।

ঘটনা প্রসঙ্গে ফয়েজ আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ৩০ হাজার পিস ইয়াবা লুটে জড়িত। গত ২৪ অক্টোবর শনিবার রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে একটি মিনি ট্রাকে করে ৩০ হাজার ইয়াবা চট্টগ্রামের দিকে নেওয়া হচ্ছিল। পথে লোহাগাড়ার পুটিবিলা ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কে মোটরসাইকেল দিয়ে ট্রাকটির গতিরোধ করেন পুলিশ কন্সটেবল ফয়েজ আহমেদসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এরমধ্যে সাতকানাইয়া থানার এস আই মাহবুবুল ইসলাম,কন্সটেবল মোঃ গাজী মহসীনের নামও উঠে এসেছে।

মিনি ট্রাকচালক নাছিরের অভিযোগ, তাকে হাতকড়া পরিয়ে জিম্মি করা হয়। পরে ট্রাকটি সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পুলিশের দুই কথিত সোর্স রবিন ও মোমিনের সহযোগিতায় ট্রাকের চালকের আসন থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা লুট করা হয়। সে ঘটনার প্রমাণ মুছে ফেলতে ট্রাকের সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তল্লাশী চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে তা থানায় জমা না দিয়ে লুট করেন ফয়েজসহ ৩ পুলিশ সদস্য। ইয়াবা লুটের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় পুলিশ সদস্য ফয়েজসহ মোট ৩ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বলেন, অভিযোগ উঠা ফয়েজসহ ৩ পুলিশ সদস্যের কিছু অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়া এবং তাদের আগে ও পরের কর্মকান্ডের কিছু খারাপ অভিযোগ থাকায় তাদেরকে ক্লোজড করা হয়েছে। প্রশাসনিক কারণে ওই তিন পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক জড়িত, সাবেক সংসদ সদস্য–প্রতিমন্ত্রীও আছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইয়াবা কাণ্ডে ভাইরাল চাঁদপুরের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদ ক্লোজড

আপডেট : ০৯:০০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

চাঁদপুর সদরের রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের রাজারচর গ্রামের বাসিন্দা পুলিশ কন্সটেবল ফয়েজ আহমেদ ইয়াবা কান্ডে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বেশ কিছু আপত্তিকর ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে। তার কর্মস্থল চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানায় কন্সটেবলের দায়িত্ব পালনকালে তিনি ইয়াবালুটে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।

১ নভেম্বর রোববার ফয়েজ আহমেদের এরুপ ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার বড় ভাই রাজরাজেশ্বরের জনপ্রতিনিধি রনি। ফয়েজ আহমেদের পিতা হচ্ছেন রাজরাজেশ্বরের মোঃ ইয়াকুব গাজী ও মাতা নাছিমা বেগম।

ঘটনা প্রসঙ্গে ফয়েজ আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ৩০ হাজার পিস ইয়াবা লুটে জড়িত। গত ২৪ অক্টোবর শনিবার রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে একটি মিনি ট্রাকে করে ৩০ হাজার ইয়াবা চট্টগ্রামের দিকে নেওয়া হচ্ছিল। পথে লোহাগাড়ার পুটিবিলা ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কে মোটরসাইকেল দিয়ে ট্রাকটির গতিরোধ করেন পুলিশ কন্সটেবল ফয়েজ আহমেদসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এরমধ্যে সাতকানাইয়া থানার এস আই মাহবুবুল ইসলাম,কন্সটেবল মোঃ গাজী মহসীনের নামও উঠে এসেছে।

মিনি ট্রাকচালক নাছিরের অভিযোগ, তাকে হাতকড়া পরিয়ে জিম্মি করা হয়। পরে ট্রাকটি সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পুলিশের দুই কথিত সোর্স রবিন ও মোমিনের সহযোগিতায় ট্রাকের চালকের আসন থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা লুট করা হয়। সে ঘটনার প্রমাণ মুছে ফেলতে ট্রাকের সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তল্লাশী চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে তা থানায় জমা না দিয়ে লুট করেন ফয়েজসহ ৩ পুলিশ সদস্য। ইয়াবা লুটের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় পুলিশ সদস্য ফয়েজসহ মোট ৩ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বলেন, অভিযোগ উঠা ফয়েজসহ ৩ পুলিশ সদস্যের কিছু অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়া এবং তাদের আগে ও পরের কর্মকান্ডের কিছু খারাপ অভিযোগ থাকায় তাদেরকে ক্লোজড করা হয়েছে। প্রশাসনিক কারণে ওই তিন পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।