কচুয়ার এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী কার্ডে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯ সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য বিউটি মেম্বার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ডে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, কচুয়া উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯ ওয়ার্ডে বয়স্ক,প্রতিবন্ধী ও বিধবা ভাতার কার্ডের জন্য হাতিয়ে নিয়েছে মোটা অংকের টাকা।

ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী তারাবারী পাটওয়ারী বাড়ীর মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে রবিউল (২৫) জানান, প্রতিবন্ধী ভাতা পাবার জন্য তার ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার বিউটি আক্তারকে তার কাছে ১ হাজার টাকা নিয়েছে এর পরে প্রথম বার যে ভাতা টাকা আসবে ওই টাকা তিনি নিয়ে যাবেন ।

একই বাড়ীর ইউসুফ মিয়ার স্ত্রী জানান, আমার স্বামীর প্রতিবন্ধী ভাতার বই করে দিবে বলে প্রথমে ১২শত টাকা নিয়েছে। তিনি আমাদের বই দেননি বরং বই কথা বললে আর ৪হাজার টাকা দিলে আমাদের ভাতার বই দিবেন।
তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো জানান, সরকারের দেয়া এই সহযোগিতা তারা প্রতিবন্ধী থাকা সত্ত্বেও সঠিক নিয়মে পাননি এই জনপ্রতিনিধির দুর্নীতির জন্য।

তিনি শুধু আমার টাকাই আত্মসাত করেননি, আমাদের গ্রামের আরো অনেকের সাথে তিনি এমন প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু তার ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না।

স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, এ ওয়ার্ডে প্রায় শতাধিক কার্ড বিতরণে নয়-ছয় হয়েছে। ইউপি সদস্য বিউটি আক্তার কার্ড বিক্রি করেছে। যে বেশি টাকা দেয়, সেই কার্ড পায়। এ ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতির সঠিক তদন্ত করলেই সত্যতা বেরিয়ে আসবে।

৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯ ওয়ার্ডের ইউপি (মেম্বার) বিউটি আক্তার তার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী যুবকের অভিযোগসহ সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এটা আমার বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র হতে পারে

Sharing is caring!