কচুয়ায় এক হিন্দু পরিবারের ৪২ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখলে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামের সরকার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে,তুলাপাই গ্রামের অধিবাসী আ.সাত্তার তালুকদার গংদের সাথে একই উপজেলার ফতেহপুর সরকার বাড়ীর ভীষ্ম বাবু, বস্ত্রহরণ,হরেকৃষ্ণ গংদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। গত (১ এপ্রিল) বৃহস্পতিবারে ভীষ্ম বাবু, বস্ত্রহরণ গংরা জমিতে মাটি কেটে ভিটা বাড়ী ভরাট করলে গত শনিবার সকালে আ.সাত্তার তালুকদার ছেলে সেলিম তালুকদার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে এসে নিজেদের জমি দাবী করে ভিটা বাড়ী দখল করে মাটি কেটে একপাশে সরিয়ে ফেলে।

ভীষ্ম বাবু, বস্ত্রহরণ জানান, আমাদের দাদা রাম কৃষ্ণ আ.সাত্তার তালুকদার পিতার কাছ থেকে ১৯৬৫ সালে ৪২ শতক জমি ৪শত টাকার বিনিময়ে এগ্রিমেন্ট হিসেবে কবুলিয়ত নামা লিখিত ভাবে দেয়, যাহার নং ১৩৬১,তারিখঃ- ২০/০৩/১৯৬৫। পরবর্তীতে এগ্রিমেন্ট সময় শেষ হয়ে যায়। পরে আমরা জমি দখল করে ৬৫ বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছি গত (১এপ্রিল) বৃহস্পতিবার

জমিনের একপাশে মাটি কেটে ভিটা বাড়ী তৈরি করি। গত শনিবারের আব্দুল সাত্তার তালুকদার এর ছেলে সেলিম তালুকদার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে ভিটাবাড়ী মাটি কেটে জমিনের একপাশে নিয়ে যায়। বর্তমানে তারা আমাদেরকে এই গ্রাম থেকে উচ্ছেদ করে দিবে বলে বিভিন্ন প্রভাবশালী লোকজন দিয়ে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। আমরা নিজস্ব জায়গায় থাকার জন্য প্রশাসনিক সুদৃষ্টি কামনা করছি।

সাত্তার তালুকদার জানান, আমার পিতা ১৯৬৫ সালে ৪২ শতক জমি তাদের কাছ থেকে ক্রয় করে। জমিনের সকল কাগজপত্র সূত্রে আমরা মালিক হিসেবে ভোগ দখল করে আসছি। কিছুদিন আগে তারা এ জমি থেকে মাটি কাটলে আমরা কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগ সূত্রে উভয়পক্ষে বসে মীমাংসা করে দেন। আমাদের জমিতে আমরা মাটি কেটেছি। তাদেরকে কোন হুমকি-ধমকি এমন কিছু দেয়া হয়নি।

Sharing is caring!