করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারিতে বিপর্যস্ত ভারতে ছয় শতাধিক চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য। চিকিসাৎযন্ত্রের প্রথম চালানটি রবিবার যুক্তরাজ্য থেকে রওনা হবে। মঙ্গলবার সকাল নাগাদ সেগুলোর ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছানোর কথা। খবর বিবিসির।

ভারতের হাসপাতালগুলোতে এখন অক্সিজেনের তীব্র অভাব দেখা দিয়েছে। টানা চতুর্থ দিনের মতো করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিশ্ব রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টা সেখানে সাড়ে ৩ লাখের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৭৬৭ জনের। অক্সিজেন সরবরাহে সংকট দেখা দেওয়ায় দিল্লির অনেক হাসপাতাল নতুন রোগী ভর্তি বন্ধ করে দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থা সিডিসি অন্তঃসত্ত্বা নারীদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ভ্যাকসিন নেওয়া নিয়ে সংশয়ের পরিপ্রেক্ষিতে এ পরামর্শ দিলো সিডিসি।

শুক্রবার হোয়াইট হাউসে করোনাভাইরাস নিয়ে ব্রিফিংয়ের সময় সিডিসির পরিচালক রচেল ওয়ালেন্সি জানান, ভ্যাকসিন সার্ভেইল্যান্স সিস্টেমে দেখা গেছে ৩৫ হাজারের বেশি নারীদের তৃতীয় ট্রিমেস্টারে বা তাদের সন্তানের জন্য সুরক্ষা জটিলতা দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীরা ভ্যাকসিন নেওয়ার পর অন্যদের মতো একই ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আমরা প্রায় চার হাজার অন্তঃসত্ত্বা নারীর বিস্তারিত তথ্য পেয়েছি। এ ছাড়া ৮ শতাধিক নারীর তথ্য পেয়েছি যারা সন্তান জন্ম দিয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ হলো, ভ্যাকসিন নেওয়ার পর তাদের তৃতীয় ট্রিমেস্টার বা সন্তানের জন্য কোনো সুরক্ষা জটিলতা তৈরি হয়নি।

সিডিসি পরিচালক বলেন, আমরা জানি এটি একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। অন্তঃসত্ত্বা নারীদের চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনার জন্য উৎসাহিত করছি আমি। তার ও সন্তানের জন্য সবচেয়ে ভালো কী হবে তা নিয়ে প্রাইমারি স্বাস্থ্যসেবা দাতার সঙ্গেও আলোচনা করতে পারেন।

সিডিসি পরিচালক ব্যাখ্যা করে জানান, ভ্যাকসিন প্রাথমিক পরীক্ষায় অন্তঃসত্ত্বা নারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সম্ভাব্য জটিলতা নিয়ে খুব তথ্য ছিল। ফলে বিভিন্ন স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের গোষ্ঠী সতর্কতা অবলম্বনসহ সাংঘর্ষিক পরামর্শ দিয়েছিলেন।

Sharing is caring!