নিজস্ব প্রতিনিধি:

চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলায় সম্পত্তিগত বিরোধে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে বিবাদিকে হয়রানি করতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন বাদি শারমিন আক্তার। বাদি শারমিন আক্তার বিবাদি মজিবুর রহমানসহ ৪ জনের নামে আদালতে দরখাস্ত মামলা নং ৮৮৮/২০২০ করেন। বাদি শারমিন আক্তার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বরাবর ফৌজদারী কার্য বিধি আইনের ১৮৮ ধারায় প্রার্থিনির পক্ষে আইনানুগ প্রতিকারের আদেশ প্রার্থনা করেন।

আদালতের বিচারক স্বাক্ষরিত পত্রে তদন্ত প্রতিবেদন, উভয়পক্ষের বিজ্ঞ কৌশুলীগনের বক্তব্য শুনে ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে ১৮৮ ধারার আবেদন না মঞ্জুর করে উক্ত দাগ সমূহের নালিশী অংশের ভূমি সমূহে বাদির কোন প্রকার দখল নেই মর্মে আদেশ দেন (স্মারক নং ৩৪৩ ও ক্রমিক নং-৪)।

মামলার সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২ জানুয়ারী শনিবার সকাল ১০ টার সময় বাদি শারমিন আক্তারের মালিকীয় দখলীয় তফসিল ভূমির চারপাশে বাঁশের খুঁটি স্থাপন ও টিনের বেঁড়া এবং কাটা তারের বেঁড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা ও চলাচলের পথ বন্ধ করে রাখেন বিবাদীরা। এছাড়া তারা কলা গাছ, সুপারি গাছ, মেহগনি গাছ কেটে মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে। এছাড়া বাদিনির তফসিল ভূমিতে রক্ষিত বসতঘরের সামনের সিঁড়ি প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী বাহিনী ও শ্রমিক দ্বারা জোর পূর্বক ভেঙ্গে ফেলে কাঠ, ইট, বালি ও আসবাবপত্র স্তুপ করে রেখেছে। এমতাবস্থায় তফসিল ভূমির উপর ফৌজদারী কার্য বিধি আইনের ১৮৮ ধারায় প্রার্থিনি বিচারকের কাছে আইনানুগ প্রতিকারের আদেশ প্রার্থনা করেন।

বাদিনির আবেদনের প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক দাউদ হোসেন চৌধুরী স্বাক্ষরিত পত্রে তদন্ত প্রতিবেদন, উভয়পক্ষের বিজ্ঞ কৌশুলীগনের বক্তব্য শুনে ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে ১৮৮ ধারার আবেদন না মঞ্জুর করে উক্ত দাগ সমূহের নালিশী অংশের ভূমি সমূহে বাদির কোন প্রকার দখল নেই মর্মে আদেশ দেন (স্মারক নং ৩৪৩ ও ক্রমিক নং-৪)। এছাড়া নালিশী হাল ৯৫৫ দাগের ০.০১৩৩ একর কবর শ্রেণী ভূমি বাদে উক্ত দাগসহ অবশিষ্ট দাগ সমূহের নালিশী অংশের ভূমি সমূহ বিবাদিগন প্রায় ৩৫ হতে ৪০ বছর পূর্ব হতে বসতঘর, রান্নাঘর, টয়লেট, ভিটি ভূমি ও পুকুর হিসেবে বসবাসরত থেকে অদাবধি ভোগ দখলে আছেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

মজিবুর রহমান জানান, ৪০ বছর পূর্ব হতে আমরা এখানে বসবাস করছি। শারমিন আক্তার আমাদের সম্পত্তি নিজের সম্পত্তি দাবি করে আদালতে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে রায় না পেয়ে এখন আমাকে ও আমার পরিবারকে নানাভাবে হয়রাণির চেস্টা করছে। লিপি প্রথমে মানুষের সাথে জায়গা জমিন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি পরে মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করে। এদের মামলার ভয়ে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। তার ছেলে নয়ন এলাকার কিশোর গ্যাং এর প্রধান হিসেবে ও মাদকের সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত।

Sharing is caring!