সরকার ঘোষিত লকডাউনেরর প্রথম দিনে চাঁদপুরে লকডাউন মানিনা স্লোগানে, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ৫ এপ্রিল বেলা ১২ টায় এ বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা।

এ সময় চাঁদপুর শহরের হাকিম প্লাজা ও হর্কাস মার্কেটেরর সাধারণ ব্যবসায়ীরাসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে চাঁদপুর পৌরসভার সামনে অবস্থান নেন। সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি পুনরায় হর্কাস মার্কেটের সামনের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়কে অবস্থান করে, চাঁদপুর টাওয়ারের সামনে তারা সমাবেশ করেন। বেলা ১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তাদের বিক্ষোভ সমাবেশ চলে।

খবর পেয়ে রেলওয়ে হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু ও চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রশিদ সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাদের সাথে কথা বলে বিষয়টি স্বাভাবিক করেন।

এসময় হুমায়ুন কবির, ফখরুল ইসলাম কালু, শফিকুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান কিরণ সহ বেশ কয়েকজন সাধারন ব্যবসায়ীরা জানান, আমরা চাই লকডাউনে যেহেতু অফিস-আদালতসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। সেক্ষেত্রে আমাদেরকেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি দেয়া হোক। লকডাউনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হই আমরা ব্যবসায়ীরা। আমরা কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা পাইনি এজন্য আমাদের দাবি আমাদেরকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি দেয়া হোক।

এ বিষয়ে রেলওয়ে হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, সরকারের দেয়া বিধি নিষেধ মেনে এবং সম্মান জানিয়ে আমরা চলতে চাই। যেসব ব্যবসায়ীরা লকডাউন এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এর সাথে আমাদের হর্কাস মার্কেট ব্যবসায়ীরা জড়িত নয়। বাইরের কিছু লোক যদি বিক্ষোভ মিছিল করে তাহলে তো সেখানে অনেকেই তা দেখতে ছুটে যান। তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত লকডাউনের এই এক সপ্তাহ আমরা আগে দেখব তারপর না হয়, অবস্থা বুঝে আমরা বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সাথে আলাপ আলোচনা করবো। আজকে যারা এই বিক্ষোভ মিছিল করেছে এর জন্য তারাই দায়ী।

চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রশিদ জানান, লকডাউনেরর বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ মিছিলটির মুল উদ্যোগ নিয়েছে হাকিম প্লাজার ব্যবসায়ীরা। পরে হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ীরা এতে যোগ দিয়েছেন। আমি আমি তাদের সাথে কথা বলেছি যে, সরকারের দেয়া নির্দেশনা কে তো কখনো বিক্ষোভ করে অমান্য করা যাবেনা। আপনাদের যদি কোনো দাবি থাকে সেজন্য আপনারা চাঁদপুর জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করতে পারেন। যারা ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ রয়েছেন আমরা তাদের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবো।

Sharing is caring!