নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে কচুয়া উপজেলার ১০নং গোহট উত্তর ইউনিয়নের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকার মাঝি হতে চান ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল হাই মুন্সির সু্যোগ্য সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো সাইফুর রহমান মুন্সি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার পালগিরি গ্রামের অধিবাসী বিশিষ্ট শিল্পপতি ও কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম হাজী আব্দুল হাই মুন্সী এলাকায় একজন দানবীর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি রহিমানগর বাজারে বেশকিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ছিলেন।

গত ২০১৬ সালে ১০নং গোহট উত্তর ইউনিয়নের নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। মরহুম আব্দুল হাই মুন্সি এলাকায় একজন দানবীর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২০২০ সালে ৯জুন সোমবার সকাল ৯টায় ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে, ২ মেয়েসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার এই সততা ও এলাকায় বিভিন্ন সেবামূলক কাজ সাধারণ মানুষ আজীবন স্মরণে রাখবেন। তার একমাত্র পুত্র ১০নং গোহট উত্তর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক দানবীর সাইফুর রহমান মুন্সি তাঁর বাবা মরহুম আব্দুল হাই মুন্সির অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও ১০নং গোহট উত্তর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান মুন্সি বাবা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল হাই মুন্সি এলাকায় দীর্ঘদিন সাধারণ মানুষের সাহায্য সহযোগিতা করেছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার পর থেকে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষদের পাশে থেকে তার সুযোগ্য সন্তান সাহায্য সহযোগীতা করে আসছেন। করোনা কালে তিনি অনেক পরিবারকে সহযোগীতা করেছিলেন। সাইফুর রহমান মুন্সি এবার নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী হলে গোহট ইউনিয়নবাসীর উন্নয়ন ঘটবে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

সাইফুর রহমান মুন্সি বলেন, আমার বাবা ১০নং গোহট ইউনিয়ন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম হাজী আব্দুল হাই মুন্সী এলাকায় একজন দানবীর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি রহিমানগর বাজারে বেশকিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য
আমি এলাকার জনগণের সুখে দুঃখের সাথী হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করে যাচ্ছি। তাই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আমি নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

তিনি আরো বলেন, উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য। আমি নির্বাচিত হলে অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করব। দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাসসহ সব অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউনিয়নের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলব।’

Sharing is caring!