লক্ষ্যটা বেশ বড়ই ছিল, ৩১৮ রানের। কিন্তু ইংল্যান্ডের যে ব্যাটিং গভীরতা, আর যেভাবে তারা শুরু করেছিল, তাতে কয়েক ওভার হাতে রেখেই খেলা শেষ হয়ে যাবে মনে হচ্ছিল একটা সময়। কিন্তু ভারতীয় বোলাররা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন। হঠাৎ ধস নামিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের ইনিংসে। সেই ধস আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি ইংলিশরা। পুনেতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ভারত পেয়েছে ৬৬ রানের রোমাঞ্চকর এক জয়। এতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে স্বাগতিকরা।

মঙ্গলবার মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ইংল্যান্ড। টি-টোয়েন্টিতে শিখর ধাওয়ান ফ্লপ হলেও ওয়ানডেতে ধাওয়ানের ব্যাটে ছুটেছে রানের ফোয়ারা। রোহিতকে সঙ্গে নিয়ে এনে দেন দারুণ শুরু। রোহিত ২৮ রান করে আউট হলেও ধাওয়ান ফেরেন ৯৮ রান করে। মাত্র ২ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন।

বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে আসে ৬০ বলে ৫৬ রান। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ব্যর্থ ছিলেন শ্রেয়াস আইয়ার ও হার্দিক পান্ডিয়া। ধাওয়ান-কোহলির পর অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করে মাঠ ছেড়েছেন লোকেশ রাহুল ও ক্রুনাল পান্ডিয়া। ওয়ানডে অভিষেকেই ঝড় তোলেন ক্রুনাল। শেষ পর্যন্ত ভারত থামে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩১৬ রানে।

৩১৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ঝড়ো শুরু করে ইংল্যান্ড। জেসন রয়-জনি বেয়ারস্টোর ওপেনিং জুটি থেকে আসে ১৩৫ রান, মাত্র ১৪ ওভার ২ বলে। রয় ৪৬ রান করে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। বেয়ারস্টো আউট হন ৯৪ রান করে। ধাওয়ানের মতো হতভাগা তিনিও। বেন স্টোকস ফেরেন মাত্র ১ রান করে।

বেয়ারস্টো সাজঘরে ফেরার পর আর কোনো ব্যাটসম্যান দলের হাল ধরতে পারেননি। মরগ্যান ২২ ও মঈন আলী করেন ৩০ রান। ২১৭ রান থেকে ২৫০ রানের মধ্যে ইংলিশরা হারায় ৫ উইকেট। অভিষিক্ত পেসার কৃষ্ণা সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন। এ ছাড়া শার্দুল ঠাকুর ৩ ও ভুবেনশ্বর কুমার নেন ২ উইকেট।

Sharing is caring!