দীর্ঘ ৫ বছর ধরে জমির পাওয়া টাকা নিয়ে প্রতারনা অভিযোগ উঠেছে চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহতলী কামিল মাদ্রাসার সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো. আহসান হাবিব ও তার ভাই এনায়েত উল্লাহ। তার গ্রামের বাড়ি ফরিদগঞ্জের দৈইচর, ২নং বালিথুবা ইউনিয়নে। বর্তমানে আহসান হাবিব শহরের ব্যাংক কলোনীর বাসিন্দা।

জমির টাকা পাওনাদার মো. শরীফ হোসেন বলেন, গত ৫ বছর পূর্বে ৪ শতক জমির জন্য সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা আহসান হাবি কে প্রদান করা হয়। জমিটি ফরিদগঞ্জে শসাইরচরের জামতলা বাজারের কাছে। প্রকৃত ভাবে জমির তখন মূল্য ছিলো ১৩ লক্ষ টাকা। কিন্তু হঠাৎ করে আহসান হাবিব কাউকে কিছু না বলে জমি বিক্রি করে দেয়। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের উপস্থিতিতে আমাদের টাকা ফিরৎ দেওয়ার সিন্ধান্ত হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন হলে আহসান হাবিব আমাদের টাকা ফিরত দেওয়ার দূরের কথা উল্টো হয়রানি করছে।

শুধু তাই নয়, আহসান হাবিব আমাদের টাকা নিয়ে দিয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। যা অসত্য প্রমানিত হয়েছে। বালিথুবা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ ও স্থানীয় মেম্বার বাহাউদ্দিন বাবলুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সামনে আমাদের টাকা ফেরৎ দেওয়ার অঙ্গিকার করেন।

এদিকে গত ২দিন পূর্বে স্থান একটি পত্রিকা ও অনলাইনে আমাদের নামে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ করেন। আমরা নাকি তার কাছ থেকে জমির জন্য চাঁদা দাবি করছি। এই মিথ্যা খবরের জন্য আমরা তীব্র নিন্দা জনাই। এবং প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

মেম্বার বাহাউদ্দিন বাবলু বলেন, আহসান হাবিবের কথা কাজে কোন মিল নেই। তিনি সকলকে হয়রানি করছেন। বারবার বলা সত্তে¡ও তিনি টাকা ফেরৎ দেননি।

বালিথুবা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বলেন, সকলের সামনেই আহসান হাবিব দায় শিকার করেন কিন্তু এখন হয়রানি করছেন। এছাড়া আমাদের জড়িয়ে মিথ্যা খবর প্রকাশ করেছেন। এরজন্য আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

ফরিদগঞ্জ থানার এস আই জামশেদ জানান, আহসান হাবিব জমির টাকা পাওনাদার মো. শরীফসহ কয়েকজনকে উল্লেখ করে একটি অভিযোগ দায়ের করে। যা আমাদের তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। এছাড়া আহসান হাবি কে বার বার থানায় এসে মিমাংশা করার কথা বললেও আজও তিনি থানায় আসেননি।

এ বিষয়ে সর্বশেষ আহসান হাবিব ও তার ভাই এনায়েত উল্লাহ বলেন, জমির টাকা পাবে বিষয়টি সত্য। তারা যখন তখন আমাদের উপর চাপ সৃষ্টি করে, সেজন্য আমরা থানায় অভিযাগ করেছি। যে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে, তা আমাদের দিক থেকে সঠিক ও সত্য।

 

Sharing is caring!