চাঁদপুর জেলায় ৭২ হাজার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন এসে পৌঁছেছে। রোববার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বেক্সিমকো ফার্মার ফ্রিজার ভ্যান গাড়ী করে চাঁদপুরে ভ্যাকসিনগুলো আনা হয়। এরপর করোনার ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্যে জেলা ইপিআই ভবনের বিশেষ কোল্ড স্টোরে রাখা হয়।

ভ্যাকসিনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়াটার) মো. আসাদুজ্জামান, চাঁদপুর সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাজেদা পলিন, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ সুজাউদ্দৌলা রুবেল বেক্সিমকো ফার্মার আঞ্চলিক বিক্রয় নির্বাহী অফিসার নিখিল রঞ্জন সাহার কাছ থেকে গ্রহন করেন।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রিট মো. উজ্জ্বল হোসাইন, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা উপস্থিত ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাজেদা পলিন বলেন, সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় ভ্যাকসিনের ৬টি কার্টুন গ্রহন করি। এর মধ্যে ৭ হাজার ২শ’ ভ্যাকসিনের ভায়াল রয়েছে। ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে ৪জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আগাম ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টিকা প্রদান করা হবে।

বেক্সিমকো ফার্মার আঞ্চলিক বিক্রয় নির্বাহী অফিসার নিখিল রঞ্জন সাহা বলেন, শনিবার (৩০ জানুয়ারি) দিনগত রাত ২টায় ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনি ও লক্ষ্মীপুর হয়ে চাঁদপুরে এসে পৌঁছাই। এ সময়ে আমাদেরকে এসব এলাকার প্রশাসন ও পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা করে।

চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের ৪জন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা টিকা দেয়ার প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছেন। তাঁরা ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় পর্যায়ে টিকা প্রদানে নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

তিনি আরো বলেন, টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী যারা অগ্রাধিকার পাবেন তাদের তালিকা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। অধিকাংশ সেক্টর থেকে তালিকা এসে গেছে। আরো তিনটি সেক্টরের তালিকা পেলে পূর্ণাঙ্গ তালিকা করা সম্ভব হবে।

Sharing is caring!