কচুয়া প্রতিনিধি ॥
কচুয়া উপজেলার ৩নং বিতারা ইউনিয়নবাসীর সেবা করতে চান উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মো. শরীফুল ইসলাম সরকার। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

শরীফুল ইসলাম সরকার উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের বাইছারা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হিসেবে ছাত্রলীগের রাজনীতির মধ্য দিয়ে তিনি রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যানার, পেস্টুন, পোস্টারিং ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে তাকে নিয়ে চলছে বেশ তোড়জোড়। প্রতিদিনই তার পক্ষে চেয়ারম্যান পদে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ দোয়া চেয়ে ও সফলতা কামনা করে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে তার পক্ষে জনমত গড়ে তুলছেন। অনেকেই লিখেছেন, তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চান। আবার কেউ কেউ লিখেছেন, চেয়ারম্যান হতে যেসব যোগ্যতা ও মন-মানসকিতা লাগে সে সবকিছুই আছে শরীফুল ইসলাম সরকারের মধ্যে।

অবশ্য তিনি নিজেও উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে আগামীতে ইউনিয়নবাসীর সেবক হতে চেয়ে ইতিমধ্যে ব্যক্তিগত উদ্যোগে করোনা দুর্যোগে ও বিভিন্ন উপায়ে ইউনিয়নবাসীকে সহযোগিতা করে আসছেন। এছাড়াও বিভিন্ন উৎসব ও দিবসে বিভিন্ন উপায়ে গরিব-দুঃখী মানুষকে সহযোগিতা করে আসছেন। শিক্ষার মানোন্নয়নেও এলাকায় ব্যাপক কাজ করেছেন। প্রতিটি ঈদে ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তিনি মানুষকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। করোনা মহামারীতেও অসহায় পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে শরীফুল ইসলাম সরকারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে এসেছি জনকল্যাণে নিঃস্বার্থ সেবা করার জন্য। তাই ছাত্রজীবন থেকে মানুষের সেবা করতে ভালবাসি। তাইতো জনসেবার স্বপ্নে বড় হয়েছি, বাস্তবে তা করে যাচ্ছি। এটিকে আমৃত্যু আগলে রাখতে চাই। অতএব আমার কাছে এ ইউনিয়নের জনগণ যখন যে কোনো বিষয়ে সহযোগিতা চাচ্ছে, তা আমি আমার সাধ্য মতো করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে বিতারা ইউনিয়নবাসী আমাকে চাচ্ছে। তারা নিজেরাই ইতোমধ্যে পুরো ইউনিয়নব্যাপী আমার পক্ষে জনমত গড়ে তুলে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, মানুষের সেবা করার ইচ্ছা থাকলে, চেয়ারম্যান না হয়েও সেবা করা যায়। চেয়ারম্যান হই বা না হই আমি সবসময় বিতারা ইউনিয়নবাসীর সেবা করে যাব, ইনশাল¬াহ। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বিগত নির্বাচনগুলোতে স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন প্রার্থী দিয়েছেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা অব্যাহত রাখবেন। সেই লক্ষ্যে আগামী ইউপি নির্বাচনেও চাঁদপুর-১ আসনের এমপি ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদসহ অন্য নেতৃবৃন্দ দলীয় প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনীত করবেন-এটি আমার প্রত্যাশা।

Sharing is caring!