করোনাভাইরাসের টিকা সাধারণ মানুষ যেন সহজেই পায় সেটা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাগিদ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও নিবিড় ব্যবস্থাপনায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা জেলা সরকারি হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নির্ধারিত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সাধারণ মানুষের কাছে যাতে নির্বিঘ্নে পৌঁছে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) সংসদ ভবনে ‘পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় (ক-স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, খ-স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ) থেকে সমাপ্ত প্রকল্পসমূহের উপর বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) কর্তৃক প্রদত্ত মূল্যায়ন প্রতিবেদন অনুযায়ী গৃহীত ব্যবস্থার বাস্তব অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএসএমএমইউ) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণতকরণ প্রকল্প (২য় পর্ব) এর আওতায় যত দ্রুত সম্ভব বর্জ্য নিষ্কাশন প্ল্যান্ট পুনঃস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। অন্যদিকে এস্টাবলিসমেন্ট অব ইনস্টিটিউট ফর পেডিয়াট্টিক নিউরো-ডিজঅর্ডার এন্ড অটিজম ইন বিএসএমএমইউ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় যে সকল ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে তা সংরক্ষণের নিমিত্ত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করাসহ প্রয়োজনীয় জনবলের সংস্থান করার উদ্যোগ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া বৈঠকে সারভাইক্যাল ক্যান্সারের ভ্যাকসিন সরকারি ব্যবস্থাপনায় মহিলাদের বিনামূল্যে প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. এ. মান্নান, মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম), হাফিজ আহমদ মজুমদার, বীরেন শিকদার, রওশন আরা মান্নান এবং আদিবা আনজুম মিতা অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়াও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

নতুনেরকথা/ম

Sharing is caring!