চাঁদপুরর কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের বড়-হায়াতপুর গ্রামের সরকার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক শম্ভু সরকারের বাড়িতে প্রেমিকা অন্তরা সরকার অবস্থান নিয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় নারায়নগঞ্জের চাষারা এলাকার লিটন সরকারের কলেজপড়ুয়া মেয়ে অন্তরা সরকার পরিবারের কাউকে না বলে বিয়ের দাবিতে নারায়নগঞ্জ থেকে তার প্রেমিক কচুয়া উপজেলার বড় হায়াতপুর গ্রামের সরকার বাড়ির পরেশ সরকারের ছেলে শম্ভু সরকারের বাড়িতে চলে আসে।

এ সময় শম্ভুর ঘরে লোকজন না থাকায় স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ মানিক হোসেন একই বাড়ির গ্রাম পুলিশ সুনীল সরকারের ঘরে মেয়েটিকে আশ্রয় দেয়। এ সময় উৎসুক জনতা মেয়েটিকে একনজর দেখার জন্য ছেলের বাড়িতে ভীড় জমায়।

অন্তরা সরকার সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘ চার বছর ধরে শম্ভু সরকার আমার সাথে সম্পর্ক করে আসছে। সম্প্রতি আমি শম্ভুকে বেশ কয়েকবার ফোন দিলে সে আমাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে এবং সে আমার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। শম্ভুর কোন প্রকার খোঁজখবর না পেয়ে আমি বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অবস্থান করছি।

এ সময় মেয়েটির হাত ব্যাগে কিছু ঘুমের ঔষুধের খালি পাতা এবং তার পরিবারকে লেখা একটি চিঠি পাওয়া যায়। শম্ভু সরকারকে তার বাড়িতে খুঁজে পাওয়া যায়নি এবং তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তবে তার মা সাংবাদিকদের জানান, অন্তরার সাথে আমার ছেলের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে বিষয়টি আমরা জেনেছি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমার বড় ছেলে ঢাকা থেকে বাড়ি রওয়ানা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপায়ন দাস শুভ জানান, বিষয়টি আমি অবগত আছি এবং মেয়েটিকে একজন মহিলা গ্রাম পুলিশের হেফাজতে রাখার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যকে নির্দেশ প্রদান করেছি।

কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মহিউদ্দিন জানান, সংবাদ পেয়ে ছেলের বাড়িতে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Sharing is caring!