চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে শ্রেণি কক্ষে মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর হাজীগঞ্জ থানায় এ মামলা দায়ের করেছে নির্যাতিতার মা জান্নাতুল ফেরদৌস। যার মামলা নং ৬।

কালোচো নেছারাবাদ সালেহিয়া ফাযিল মাদরাসা তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে একই মাদরাসার নুরানী শাখার হেফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ শাহজালাল দীর্ঘ দিন ধরে ওই শিশু শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। ঘটনার দিন গত ২১ সেপ্টেম্বর সকালে মাদরাসা রুমে শিশু শিক্ষার্থীর বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। এ ছাড়াও আরও কয়েকবার এ শিক্ষক এমন ঘটনা ঘটায় বলে দাবী করেন শ্লীলতাহানির শিকার মেয়ের মা জান্নাতুল ফেরদৌস।

মেয়ের মা অভিযোগপত্রে দাবী করেন একই বাড়ীর আবদুল হাই ও সোলায়মান ঘটনার পর থেকে আপোষ মিমাংসার চেষ্টা করে ঘটনার কালক্ষেপন করে।

স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কয়েকবার ব্যবস্থা নেয়ার কথা বললেও মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নাজিমউদ্দিন এ বিষয়ে কোন কর্ণপাতই করেননা।

এ বিষয়ে মাওলানা নাজিমুদ্দিন মুঠোফোনে জানান, হেফজ খানাটি আমাদের আয়ত্বে নয়, তাই বিষয়ে আমি কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারিনা।

অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ মো. শাহজালাল (৩০) শরীয়তপুর জেলার সখীপুর উপজেলার হামিদ মুন্সি কান্দি গ্রামের ইউসুফ মালের ছেলে। সে গত এক বছর যাবত নেছারাবাদ সালেহিয়া ফাযিল মাদরাসা কর্তৃক পরিচালিত হেফজ বিভাগে হাফেজ হিসেবে চাকুরীরত আছেন। ঘটনার জানাজানি হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছে।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. আবদুর রশিদ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Sharing is caring!