ভাতার টাকা থেকে ভাতা খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। ২১ জুলাই এই বিষয়ে মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

জানা যায়, মতলব পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ওহিদুজ্জামান মৃধা গত ২০ জুলাই ওনার ওয়ার্ডের ভাতা ভোগীদের কাছ থেকে ভাতার কার্ড নিয়ে নিজেই ব্যাংকের ম্যানেজারকে ম্যানেজ করে টাকা উত্তোলণ করেন। এর মধ্যে নতুন বই করা হয়েছে তাদের জন্য উত্তোলিত এক বছরের মোট ৬ হাজার টাকার মধ্য থেকে বই প্রতি দুই হাজার করে নিজে রেখে দেন। ভাতার টাকা থেকে বই প্রতি দুই হাজার টাকা রেখে দেওয়ার ঘটনায় ভুক্তভোগীরা মঙ্গলবার সকালে জড়ো হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেন।

৪নং ওয়ার্ডের একাধিক ব্যক্তি জানায়, কাউন্সিলর সাহেব প্রায় ২৫ জনের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা করে অফিস খরচ বলে রেখে দেন। পরবর্তীতে আজ (২১ জুলাই) যখন এই নিয়ে ভাতার কার্ডধারীরা অভিযোগ করলে তিনি ৮ জনের টাকা ফিরত দিয়েছেন বলে জানা যায়। এদিকে ভাতা ভোগকারীদের কাছ থেকে টাকা আদায় ও নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগের বিষয়টি মূহুর্তে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, ভাতার টাকা নিয়ে ঝামেলার কথা শুনেছি। আজ (২১ জুলাই) আমি মতলব উত্তরে রয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে কী হয়েছে তা বলা সম্ভব হবে। তবে ভাতার জন্য কাউকে কোনো অফিস খরচ দিতে হয় না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা হক বলেন, ভাতার টাকা থেকে টাকার রেখে দেওয়ার অভিযোগ পেয়েছি। এই বিষয়ে চিঠির মাধ্যমে আজই (২১ জুলাই) পৌর মেয়রকে তদন্ত করা জন্য বলা হয়েছে।

কাউন্সিলর ওহিদুজ্জামান মৃধা বলেন, কেউ যদি ইচ্ছে করে আমাকে দেয়, আমিতো নিবই। আমার অভিভাবক মেয়র, তিনিই বিষয়টি দেখবেন।

Sharing is caring!