অনলাইন ডেস্ক:

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সব সদস্য ও তাদের পরিবারের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কথা ভাবছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ বিষয়ে অবগত আছেন, এমন এক ব্যক্তির বরাতে বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।

এতে দুই দেশের মধ্যকার টানাপোড়েনের সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা চলছে।

‘প্রেসিডেন্টের সম্ভাব্য একটি নির্দেশের খসড়া সবার হাতে পৌঁছানো হয়েছে। কিন্তু এ সংক্রান্ত বিবেচনা প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। কিন্তু ইস্যুটি এখনও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে যায়নি।’

এ বিষয়ে প্রথম খবর প্রকাশ করেছে মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস। কয়েক লাখ চীনা নাগরিকের ভিসা প্রত্যাহার করে নেয়া হবে কিনা, তা নিয়েই ছিল ওই প্রতিবেদন।

যেটি বেইজিংয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব প্রসারিত হওয়ার মধ্যে চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত হবে। কেউ কেউ এটিকে নতুন ঠাণ্ডা যুদ্ধের সঙ্গেও তুলনা করছেন।

যদি এমন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়, তবে তা চীনের শাসক দলের শীর্ষ থেকে নিম্নতম পদস্থ কর্মকর্তাকেও আঘাত হানবে। সে ক্ষেত্রে আমেরিকানদের প্রতিও পাল্টা প্রতিশোধ নেবে চীন।

এতে কেবল কূটনীতিকরাই অন্তর্ভুক্ত হবেন, বিষয়টি এমন না; ব্যবসায়ীরাও থাকবেন। সে ক্ষেত্রে চীনে মার্কিন স্বার্থও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি এমন সিদ্ধান্ত সত্যিই বাস্তবায়ন করে থাকে, তবে তা ‘হতাশাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনইং।

এ খবর সত্যি কিনা, তা পুরোপুরি নিশ্চিত করেননি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। তিনি বলেন, চীনা কমিউনিস্ট পার্টিকে কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়, সে ব্যাপারে প্রেসিডেন্টের নির্দেশনায় আমরা সামনে যাওয়ার কাজ করছি।

হোয়াইট হাউসের প্রেসসচিব কাইলি ম্যাককেনানি সাংবাদিকদের বলেন, চীন প্রসঙ্গে প্রতিটি বিকল্প নিয়ে আমরা আলোচনা করছি।

Sharing is caring!