বহুল প্রচারিত “নতুনেরকথা” অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা দিয়েছে রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান।

তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখাধীন কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং ঐতিহ্যবাহী রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্বাচিত সভাপতি।

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপি তিনি বাংলাদেশের একজন সূয্যসন্তান এবং হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি তথা বাংলাদেশের গর্বিত সন্তান। তার আসনের একটি ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি আমি।

তিনি বলেন, আমি বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার মাননীয় সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপি মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করে বিদ্যালয়ের অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছি।

বিদ্যালয়ের ভবন করার জন্য সম্পূর্ণ আইন মেনে টেন্ডারের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের গাছ কাটা হয়েছে। পাশা-পাশি টেন্ডারের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের একটি কাঁচা ঘর বিক্রয় করা হয়েছে এবং ওই টাকা বিদ্যালয়ের নিজস্ব একাউন্টে রাখা হয়েছে।

আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে আমি আমার ব্যক্তিগত এ্যাকাউন্টে টাকা রেখেছি বা বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাত করেছি কথাগুলোর কোন ভিত্তি নেই।

তিনি বলেন, একটি মহল সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে এবং কোনঠাসা করতে আমার বিরুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, বিদ্যালয় একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান। আসুন সবাই মিলে ঐতিহ্যবাহী রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্নয়ণে অংশগ্রহণ করি।

মো. আনিছুর রহমান

সাধারণ সম্পাদক, কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ

সভাপতি, রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়

হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর্

Sharing is caring!