করোনা ঝুঁকি সত্বেও থেমে নেই জেদ্দা  কনস্যুলেট জেনারেল অফিসের পাসপোর্ট সেবা – প্রদান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন
কনসাল  জেনারেল ফয়সাল আহমেদ।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে সৌদি আরব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সৌদি আরব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে গত ২১শে জুন থেকে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল জেদ্দার ব্যবস্থাপনায় প্রবাসীদের পাসপোর্ট সেবাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, সৌদি সরকার ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং এই পদক্ষেপের আওতায় সীমিত আকারে অফিস, আদালত, মসজিদ খোলা হয়েছে।

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল জেদ্দা,প্রবাসীদের পাসপোর্ট সেবাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সেবা প্রার্থীদের সেবা প্রদান সহজ ও ঝুঁকি মুক্ত করার লক্ষে অন লাইনে ই-মেইল করে এমআরপি রিইসু করার আবেদন পত্র জমা নেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা চালু করেছে । যা সেবা প্রার্থী ও জেদ্দাস্থ কমিউিনিটিতে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং প্রশংসিত হয়েছে। প্রবাসীদের পাসপোর্ট সেবা প্রদানের প্রথম দিনে কনস্যুলেটের বাইরে প্রচুর পরিমান সেবা প্রার্থীর সমাগম ছিল, এবং প্রতিদিন ১২০০ শত থেকে ১৫০০ শত প্রবাসীদের সার্ভিস দেয়া হচ্ছে।

সৌদি নিরাপত্তা বাহিনীর অভাবনীয় সহযোগিতা ও জেদ্দা কমিউনিটির সেবা প্রার্থির জন্য পানি সহ শুকনো খাবার বিতরণ এবং সর্বপরি কনস্যুলেট কর্মকর্তাদের ধৈর্য সহকারে  অতিরিক্ত সেবা প্রার্থীর চাপকে সামলে নিয়ে সর্বোচ্চ সেবা প্রদান,মানবিকতার উদাহরন হয়ে থাকবে।

কনস্যুলেটের প্রবেশ দ্বারে স্বাস্থ্য সুরক্ষা স্বরূপ সেবা প্রার্থীর থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরার মাধ্যমে শরিরের তাপমাত্রা পরিক্ষা,হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ সহ অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে ।

কনস্যুলেটের ভিতরের মেঝেতে সামাজিক দুরত্বের ছবি যুক্ত স্টিকার ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপদ দুরুত্বে সেবা প্রার্থীর অবস্থান নির্ণয় করে সেবা প্রদান করে কনস্যুলেট তার সঠিক দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছে।

কনসাল জেনারেল ফয়সাল আহমেদ, কাউন্সেলর মজিবুর রহমান, প্রথম সচিব মোস্তফা জামিল,পাসপোর্ট ও ভিসা মোহাম্মদ  কামরুজ্জামান   সহ সকল কর্মকর্তাদের  প্রবাসীরা  ধন্যবাদ জানান।

প্রবাসীরা বলেন করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকা সত্বেও রাতদিন পরিশ্রম করে প্রবাসীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন জেদ্দা অফিস।

বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের কোনো ফি ছাড়াই ইকামার মেয়াদ তিন মাস বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এছাড়া যারা ছুটি নিয়ে সৌদি আরবের বাহিরে অবস্থান করছেন তাদেরও ইকামা এবং রিএন্ট্রি ভিসার মেয়াদ ফি ছাড়াই তিন মাস বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

Sharing is caring!