বিশেষ প্রতিনিধি:

দক্ষিনাঞ্চলসহ চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় আগামী জুলাই মাসে জেলেদের আহরণকৃত ইলিশ প্রচুর পরিমাণে আমদানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এই আমদানী পরবর্তী দুই মাস আগস্ট ও সেপ্টের মাস পর্যন্ত অব্যাহ থাকতে পরে বলে জানিয়েছেন চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দ।

সম্প্রতি চাঁদপুর মৎস বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল খালেক মাল, সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. শবেবরাত সহ কয়েকজন আড়তদার মাছ ব্যবসায়ীর সাথে ইলিশ মাছের বাজার দর বিষয়ে আলাপ হয়।

তারা জানান, ইলিশ মাছের প্রচুর আমদানি হয় শ্রাবণ (শ্রাবণ মাসের শেষ), ভাদ্র ও আশ্বিন (আশ্বিন মাসের প্রথম) মাসে, ইংরেজি জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে।

বর্তমানে ১৩শ’ থেকে ১৪শ’ গ্রাম বা তদুর্ধ ওজনের ইলিশ প্রতি মনের দাম ৬০-৭৫ হাজার টাকা। ১ কেজি থেকে ১২শ’ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি মনের দাম ৪৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা। ৭শ’ গ্রাম থেকে ৯শ’ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি মনের দাম ৩৮ থেকে ৪৫ হাজার টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। তমে ইলিশ মাছের বাজার সব সময়ই উঠা-নামা করে।

চাঁদপুর মাছঘাট থেকে তোলা ইলিশ মাছের ছবি। নতুনেরকথা।

তবে বর্ষা ভরা মৌসুমে ইলিশের বাজার মূল্য অনেক হ্রাস হবে বলে মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান।

মাছ ব্যবসায়ীরা আরো জানান, বাজারে সাধারণত ৭শ’ গ্রাম ৯শ’ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছের চাহিদা ক্রেতাদের মাঝে বেশি থাকে।

এদিকে, বেশ কিছুদিন চাঁদপুর মাছঘাটে কম-বেশী ইলিশের আমদানি রয়েছে। তবে দাম কমছে না। মাছঘাটে আমদানিকৃত ইলিশ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করতে দেখাগেছে। যার কারণে মাছঘাটে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের কিছুটা ব্যস্ততা দেখাগেছে।

Sharing is caring!