শাহরাস্তিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানির চেষ্টা

শাহরাস্তি প্রতিনিধিঃ
শাহরাস্তিতে তুচ্ছ গঠনাকে কেন্দ্র করে মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এলাকা সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, টামটা উত্তর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পরান গ্রামের এ গঠনা ঘটেছে। গত ৬ জুলাই শনিবার পরানপুর এলাকায় আমির হোসেনের ছেলে মামুন হোসেন তার স্ত্রীকে মৌখিক তালাক দিলে এলাকায় মিস্ত্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এ বিষয় নিয়ে স্থানীয় মেম্বার আবু মিয়ার নেতৃত্বে একটি স্থানীয় সালিশ বৈঠক বসেন। যাহা এলাকার অন্যকোনো ব্যক্তিবর্গ জানেন না। এই নিয়ে আবু মিয়ার পছন্দের গুটি কয়েকজন যেমনঃ আছর উদ্দিনের ছেলে জহির ও নূরে আলম, আরিফ সহ আবু মিয়ার বিল্ডিং এ বসেন। এই নিয়ে পূর্বে মামুন ও তার স্ত্রীরকে নিয়ে বহু সালিশ বৈঠক হয়েছিল বলে জানা যায়। কিন্তু এলাকার লোকজনের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আবু মেম্বার এলাকার সকল সালিশ দরবার গন্যমান্যব্যক্তিবর্গদেরকে তোয়াক্কা না করে নিজের মনগড়া মত প্রত্যেক বারই আবু মিয়া গুটি কয়েক ছাড়া এ বিষয়ে এলাকার কাউকে মূল্যায়ন না করে নিজের সেচ্ছা ছারিতার মাধ্যমে সমজোতার চেষ্টা করেন। এই নিয়ে এলাকার গন্যমান্য ও মুরুব্বি শ্রেণীর লোকদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। গত শনিবার বৈঠকে মির আহম্মেদের ছেলে জহিরুল ইসলাম সহ এলাকার ব্যক্তিবর্গ ঐ বৈঠকে গেলে তাদেরকে অসালিন ভাষায় কথা বলে এবং সালিশ থেকে চলে যাওয়ার জন্য আরিফ ও নূরে আলম ধমক দিয়ে চলে জাওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এক পর্যায়ে আছর উদ্দিনের ছেলে জহির মির আহম্মেদের ছেলেকে বেদম মারধর করে। উপস্থিত আবু মেম্বার উভয় পক্ষকে আপোষ করে উক্ত স্থান থেকে চলে যেতে বলেন। তারপর আছর উদ্দিনের ছেলে শাহ্রাস্তি থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে এলাকার বিভিন্ন লোকদেরকে হুমকি ধমকি প্রদান করে বলে এলাকার একাদিক ব্যক্তি জানায়। তারা আরো বলেন জহির নূরে আলম আরিফ গং এলাকার বিভিন্ন অসামাজিক কাজের সাথে জরিত। এই গঠনায় আবু মেম্বারকে জিঙ্গাসা করলে তিনি বলেন, মেয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে আমরা আমরা গোপন বৈঠক বসেছে। সেখানে এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত হলে বিভিন্ন কথার কাটাকাটি হলে হর্টগোল সৃষ্টি হয়। আমি উভয়কে বিষয়টি মিমাংশা করে দেই। পরবর্তিতে থানায় অভিযোগের বিষয়টি আমি জানি না। এলাকাবাসির দাবী আবু মেম্বারের কারনে এমন গঠনা ঘটে।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares